পোস্টগুলি

জুলাই, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যে ৭টি কারনে রোজা ভেঙ্গে যায়ঃ

যে ৭টি কারনে রোজা ভেঙ্গে যায়ঃ (যেসব বিষয় সমূহ প্রত্যহ মুসলিমের জেনে রাখা ফরজ) সিয়াম ভঙ্গকারী বিষয়াবলী : যা কিছু সিয়াম ভঙ্গ করে তা থেকে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরত থাকার নাম হল সওম, বহু বচনে সিয়াম। সিয়ামভঙ্গকারী সকল প্রকার বিষয় থেকে বিরত না থাকলে সিয়াম আদায় হবে না। যে সকল কাজ সিয়াম ভঙ্গ করে তা সাধারণত সাত প্রকার। ০১. সহবাস : সিয়াম অবস্থায় সহবাস করলে সিয়াম বাতিল হয়ে যায়। সিয়াম ফরজ হোক কিংবা নফল। সহবাসের মাধ্যমে সিয়াম বাতিল করা হলে তার কাজা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করা জরুরি। ০২. ইচ্ছাকরে বীর্যপাত করা: যেমন কাউকে চুমো দেয়ার মাধ্যমে বা স্পর্শ করার কারণে কিংবা হস্ত মৈথুন ইত্যাদি কারণে বীর্যপাত ঘটানো হলে। এ সকল কারণে সিয়াম বাতিল হয়ে যায়। তবে এ সকল কারণে কামভাব থাকা সত্ত্বেও যদি বীর্যপাত না হয় তবে সিয়াম বাতিল হবে না। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সওম অবস্থায় স্ত্রীকে চুমো দিতেন ও স্পর্শ করতেন। তবে তিনি নিজেকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ ছিলেন। যদি চুমো ও স্পর্শ দ্বারা বীর্যপাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে তবে এ সকল কাজ থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত জরুরি...

কোরবানীর সঙ্গে আকীকাহ!

কোরবানীর সঙ্গে আক্বীকা দেয়া যাবে কি ? কিয়াছ বা আন্দাজিক ফতোয়া নয় আসুন জেনে নিই সুন্নাহ সম্মত আক্বীকা দেয়ার বিধানঃ হযরত সামুরা রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেন, প্রত্যেক সন্তান তার আকিকার বিনিময়ে বন্ধক হিসেবে রক্ষিত। অতএব সপ্তম দিন তার পক্ষ থেকে আকিকা কর, তার চুল কাট ও তার নাম রাখ। (আহমদ, তিরমিজি-সহিহ সূত্রে) নবজাতকের চুলের ওজন পরিমাণ রৌপ্য সদকা করা সুন্নত। আলী রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম হাসানের পক্ষ থেকে একটি বকরি আকিকা দিয়েছেন এবং বলেছেন, হে ফাতিমা, তার মাথা মুণ্ডন কর ও তার চুলের ওজন পরিমাণ রৌপ্য সদকা কর। (তিরমিজি)। আক্বীকার বিধানঃ আক্বীকার উপর রাসুল সঃ এর এসব গুরূত্ত্বারোপের উপর ভিত্তি করে অধিকাংশ ইমাম আক্বীকা কে সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ বলেছেন। কোরবানী ও আক্বিকা দুটি ভিন্ন ইবাদত। কোরবানীর সাথে আক্বিকাকে এক করার কোন সুযোগ নেই। রাসুল (সাঃ) সন্তানের আক্বিকা সপ্তম দিনে করবার নির্দেশ দিয়েছেন। আর আক্বিকা হল সন্তানের নিরাপত্তা টিকা। এর মাধ্যমে সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। এখন ধরুন একটি বাচ্চার জন্ম হল কো...

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্বীন প্রচার করুন।

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিন দ্বীনের দাওয়াতঃ (নেট ব্যবহারকারী দাঈ ভাইদের জন্য জরুরী গাইড) দ্বীনের সকল দাঈ, আলেম ওলামা ও মাদ্রাসা ছাত্রদের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহন করে তা যদি দাওয়াতী কাজে ব্যবহার করা যায় তাহলে অতি সহজে বিশ্বের ঘরে ঘরে শান্তির ধর্ম ইসলাম পৌঁছে দেয়া সম্ভব। এসব ব্যবহারে বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় পারদর্শী হতে হবে তাই ইলমে দ্বীন শিক্ষার পাশা পাশি ছাত্রদের মাতৃভাষা ও আন্তর্জাতিক ভাষায় সুদক্ষতা অর্জন করতে হবে। ভাষা ব্যতিত যে যত বড়ই আলেম হোক না কেন ইলমের বিকাশ সম্ভব নয়! মুসলিম জিন্দেগির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো মানুষদের আল্লাহর পথে আহ্বান করা, যাকে আমরা দাওয়াত বা তাবলিগ বলে থাকি। প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য হচ্ছে, সাধ্য অনুযায়ী ইসলামের সুমহান সৌন্দর্য গণমানুষের কাছে তুলে ধরা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন : ‘তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা মানুষদের কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে এবং অন্যায় কাজে বারণ করবে’ (সূরা আল ইমরান-১০৪)। নবী (সা.) বলেন, ‘আমার থেকে একটি কথা হলেও গণমানুষের কাছে পৌঁছে দাও’। যুগে যুগে সব নবী-রাসুলের একমা...