পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মাওলানা কারী ওবায়দুল্লাহ

ছবি
তার অবদান ও গৌরবময় কর্ম জীবনঃ - ছাঈদ কোদালাভী তিনি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনীয়ার কোদালা ইউনিয়নের একটি সম্ভ্রান্ত দ্বীনদার পরিবারে ১৯৪৪ সালের ১লা জানুয়ারী জন্ম গ্রহন করেন, পিতা যুগশ্রেষ্ট আলেম, অলিকুল শিরূমনি পীরে কামেল আলহাজ্ব, আল্লামা শাহ মেহেরুজ্জামান ইসলামাবাদী রহঃ। ক্বারী উবায়দুল্লাহ ছোট বেলা থেকেই এলাকার মাদরাসা-মসজিদ, পাশ্ববর্তী মহল্লার ওয়াজ-মাহফিল, উৎসব-সমাবেশ-সম্মেলনে কুরআন তেলাওয়াত করতেন। ধীরে ধীরে তিনি সুললিত কন্ঠের ক্বারী হিসেবে পরিচিতি ও অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করতে লাগলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন মাদরাসা-মসজিদ, ওয়াজ-মাহফিল, উৎসব-সভা- সেমিনার, সমাবেশ-সম্মেলনে কুরআন তেলাওয়াতের জন্য আয়োজকরা তাকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ করতেন। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সুমধুর কন্ঠ ও সূরের মাধ্যমে বিশুদ্ধ তেলাওয়াত উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে অগণিত শ্রেুাতা-দর্শকদের মুগ্ধ করতেন। সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানসহ নানা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ করা হতো কুরআন তেলাওয়াতের জন্য।ক্বারী উবায়দুল্লাহ ছোট বেলায় তার পিতার কাছে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর রাজধানীর লালবাগ মাদরাসায় ভর্তি হন, সেখানে তিনি হাফেজ্জী ...

হাফেজ মাওঃ আহমদুর রহমান (রহঃ)

ছবি
তার সংক্ষিপ্ত কর্ম জীবনী --- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী চট্রগ্রামস্হ রাঙ্গুনীয়া থানার কোদালা ইউনিয়নের দক্ষিন পাড়ায় তিনি জন্ম গ্রহন করেন। জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মুপ্তী আজিজুল হক (রহঃ) এর একজন সুযোগ্য খলীফা আজিজি বাগের কাঁটা ছাড়া ফুল, সৈসব হতেই দ্বীনদার মুত্তাকী ছিলেন,কথা বলতেন কম সর্বদা আল্লাহর ধ্যানে মত্ত থাকিতেন, পড়া শোনার ফাঁকে ফাঁকে ওস্তাদের খেদমত করতেন, অলিকুল শিরূমনি যুগ শ্র্রেষ্ট আলেমে দ্বীন আল্লামা মুপ্তী আজিজুল হক (রহঃ) ছিলেন তার প্রধান ওস্তাদ, প্রাণের চেয়েও বেশি ভাল বাসতেন নিজ ওস্তাদ কে, পটিয়া মাদ্রাসায় দাওরায়ে হাদীস সমাপ্ত করার পর নিজ ওস্তাদ মুপ্তী সাহেব হুজুর তাকে চন্দনাইশ বসরত নগর মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দান করেন, তৎকালীন বসরত নগর মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন মুপ্তী আজিজুল হক (রহ) এর অপর খলীফা মাওলানা মফজল আহমদ (রহ) তিনিও এক আল্লাহর অলি ছিলেন, দুই পীর ভাই একি মাদ্রাসায় কিন্তু মাওলানা আহমদুর রহমানের মন কিছুতেই বসেনা, কি যেন হাঁরিয়ে ফেলেছে শুধু ওস্তাদের কথা মনে পড়ে,দিনের বেলায় ছাত্রদের পড়িয়ে বিকালে পাড়ি দিতো ওস্তাদের কাছে পটিয়া মাদ্রাসায়,তখনকার যুগে গাড়ি বা অন্য কোন যানবাহন...

মাওলানা মেহেরুজ্জামান (রহঃ)

ছবি
সংক্ষিপ্ত কর্ম জীবনীঃ-  - ছাঈদ কোদালাভী প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলা ভূমি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনীয়া থানার ১২ নং কোদালা ইউনিয়ন, পূর্ব পশ্চিম ও দক্ষিনে সবুজে ঘেরা কোদালা চা বাগান এবং উত্তরে কাপ্তাই লেক ও সিতার পাহাড়ের ঝর্ণা হতে আবহমান কর্ণফুলী নদীর দক্ষিন কূল ঘেঁষে অবষ্হিত এ গ্রাম, এটি একটি সম্পূর্ণ বিদআত ও শির্ক মূক্ত গ্রাম, নেই কোন বেদআত পন্হি মাদ্রাসা নেই কোন মাজার। কোদালা কে খোদা ওয়ালা গ্রাম উপাধি দিয়ে ছিলেন পটিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পীরে কামেল আল্লামা শাহ মুপ্তী আজিজুল হক (রহঃ) কোদালার এমন কোন পাড়া নেই যেখানে হযরতের কদম পড়েনি। এখানেই জন্ম গ্রহন করেছেন অনেক বুজুর্গানে দ্বীন ও যুগ শ্রেষ্ট আলেম, তাদের মধ্যে আল্লামা শাহ মেহেরূজ্জামান (রহঃ) আল্লামা হাফেজ শাহ আহমদুর রহমান (রহঃ) মাওঃ আবদুল কাইয়ুম (নান সা'ব হুজুর রহঃ)  মাওলানা আবদুল কুদ্দুস (রহ) মাওলানা নুরূল হক সাহেব (রাইখালী) ও আন্তর্জাতিক ক্বারী মাওঃ ক্বারী ওবায়দুল্লাহ'র মতো বহু খ্যাতিমান ওলামায়ে কেরাম। জন্ম ও ছাত্র জীবনঃ এই গ্রামেই আল্লামা শাহ মেহেরুজ্জামান রহঃ ১৯০১ সালে জন্ম গ্রহন করেন, এবং রাঙ্গুনীয়ার চন্দ্রঘ...

আরাফার রোজা পালন করবেন কবে?

হযরত আবু কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কে আরাফার দিনে রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে উত্তরে তিনি বলেছেন, " صيام يوم عرفه أحتسب على الله أنه يكفر السنة التي قبله والسنة التي بعده " [ رواه مسلم ]  " আরাফার দিনের রোজা তার পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গোনাহ মোচন করে দেয়।” [মুসলিমঃ ১১৬২] হাদিসটির বিশুদ্ধ আরবী বর্ণনায় "সাওমি ইয়াওমি আরাফাহ"  বলা হয়েছে, যা বিশেষ করে আরাফাহ নামক স্থানটির সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। যে দিন হাজ্বীদের আরাফায় অবস্হান করা ফরজ। বছরের এ দিনটি আল্লাহর নিকট  সবচেয়ে পছন্দনীয় দিন। এখানে কোন তারিখের কথা উল্যেখ নেই, বলা হয়েছে আরাফার দিন বা হজ্বের দিন তাই ঐ দিনেই রোজা রাখতে হবে। হ্যাঁ কিছু ইবাদাত আছে যে গুলো চাঁদ দেখার উপর নির্ভর্শিল যেমন রমজানের রোজা ধরা ও ছাড়া, ঈদ করা ইত্যাদী, হাদীসটির বর্ণনাই ব্যাখা আছে সিয়াম পালন করতে হবে যেদিন সবাই আরাফার ময়দানে অবস্থান করবেন সেদিন। এটিই অধিকাংশ ওলামাদের মতামত। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ও ২৩ শে সেপ্টেম্বর হজ্বের দিন রোজা রাখতে হবে, বাংলাদেশের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আরবীর ৮ তা...

কোরবানীর বিধান ও ফজীলত

কোরবানির হুকুম কি ? ওয়াজিব না সুন্নত ? এ বিষয়ে ইমাম ও ফকীহদের মাঝে দুটো মত রয়েছে। প্রথম মত : কোরবানি ওয়াজিব। ইমাম আওযায়ী, ইমাম লাইস, ইমাম আবু হানীফা রহ. প্রমুখের মত এটাই। আর ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ রহ. থেকে একটি মত বর্ণিত আছে যে তারাও ওয়াজিব বলেছেন। দ্বিতীয় মত : কোরবানি সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। এটা অধিকাংশ উলামাদের মত। এবং ইমাম মালেক ও শাফেয়ী রহ.-এর প্রসিদ্ধ মত। কিন্তু এ মতের প্রবক্তারা আবার বলেছেন : সামর্থ্য থাকা অবস্থায় কোরবানি পরিত্যাগ করা মাকরূহ। যদি কোন জনপদের লোকেরা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সম্মিলিতভাবে কোরবানি পরিত্যাগ করে তবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হবে। কেননা, কোরবানি হল ইসলামের একটি শিয়ার বা মহান নিদর্শন। যারা কোরবানি ওয়াজিব বলেন তাদের দলিল : (এক) আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন : "তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর ও পশু কোরবানি কর। আর আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্দেশ পালন ওয়াজিব হয়ে থাকে। (দুই) রাসূলে কারীম স. বলেছেন : ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহের ধারে না আসে। যারা কোরবানি পরিত্যাগ করে তাদের প্র...