পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ক্বওমী শিক্ষকদের জীবন মান পরিবর্তন হবে?

ছবি
শাইখ ছাঈদ কোদালাভী - ১৯৯৮ সালে চন্দনাইশ দারুল উলুম মাদরাসায় শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে কর্ম জীবন শুরু। ২০০ টাকা হিসাব ভাতা সহ সতেরশো টাকা বেতন। পরিচালক মহোদয়ের বেতন ছিলো দুই হাজার'। প্রায় দু'বছর এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলাম। যা পেতাম যাতায়াত, নাস্তাপানি, হাত খরচ, টুকিটাকিতে শেষ হয়ে যেত। ২০০০ সালের দিকে রাঙ্গুনীয়া সরফভাটা মুয়াবিনুল ইসলাম মাদরাসায় যোগ দিলাম হিসাব বিভাগের ভাতা সহ পঁচিশ শ' টাকা বেতনে, পরিচালকের পরে ওটাই ছিলো মাদ্রাসার বিশজন শিক্ষকদের মধ্যে সবছেয়ে বড় স্কেল! চার বছর পর সৌদি আরবে এরাবিক ক্যালিওগ্রাফার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত তা বেড়ে তিন হাজারের কাছাকাছি হয়েছিল।   আমার সে সময়ের সহকর্মি যারা এখনো খেদমতে আছেন তাদের সর্বোচ্চ বেতন সাত আট হাজার। হাজার বারোশো টাকায় চাকরি করতে দেখেছি আমাদের আসাতিজায়ে কেরামদের। যার আবার অধিকাংশ বাকি। এখনো ক্বওমী শিক্ষকদের গড় বেতন ছয় সাত হাজারের বেশি নয়। কি হয় এই অংকের টাকায়? এক বস্তা চালের দাম যখন তিন হাজার টাকা, তখন সাত হাজারে একটা সংসার কিভাবে চলে? ভাবতে অবাক লাগে! হুজুররা আনলিমিটেড বাচ্চা কাচ্চা নেয়ার শরয়ী হু...
ছবি

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (ইত্তেহাদুল মাদারিস) মারকাজী পরীক্ষা-২০১৯ এর ফল প্রকাশ!

ছবি
বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (ইত্তেহাদ) এর জুনিয়র দাখিল আলিম ও ফাযিল সমমান পরীক্ষা-২০১৯ এর ফলাফল প্রকাশঃ চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনা ইউনুছিয়া মাদ্রাসা ১ম স্হান অধিকার করে ইত্তেহাদের সেরা মাদ্রাসা নির্বাচিত। আজ আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ এর মারকাযী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, দেশ ব্যাপী এ মারকাজী পরীক্ষায় প্রতি বছর জুনিয়র দাখিল আলিম ও ফাযিল সমমানের একযোগে মোট ৪ টি জামাআতের মারকাজী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই চারটি জামাআতে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে একি প্রতিষ্ঠান হতে ২৮ জন ছাত্র বৃত্তি লাভ করে ২য় বারের মতো ১ম স্থান অর্জন করে আবারো কওমি অঙ্গনে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে সুদক্ষ আলেমে দ্বীন, আলহাজ্ব, আল্লামা মুহাম্মদ মুছা সাহেব কর্তৃক পরিচালিত " আল জামিয়া আল কুরআনিয়া ইউনুছিয়া আজিজুল উলূম চন্দ্রঘোনা (চন্দ্রঘোনা ইউনুছিয়া মাদ্রাসা চট্টগ্রাম। এবং ১৬ জন ছাত্র উত্তির্ন হয়ে ২য় স্থানে রয়েছেন জামিয়া মাদানিয়া সেলুনিয়া ফেনী, এবং১৪ জন উত্তির্ন হয়ে ৩য় স্থানে রয়েছেন জামিয়া মাদানিয়া শুলকবহর চট্টগ্রাম। উল্যেখ্য এবছর রাঙ্গুনীয়ার ঐতিহ্যবাহী কোদালা আজিজিয়া কাছেমুল উলুম মাদ্রাসা...

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্র ও রেজাল্ট বাংলা ভাষায় করা হোক!

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সকল প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষার  ফলাফল প্রকাশ পাকিস্তানী ভাষার বদলে মাতৃভাষা বাংলায় করা হোক! শিক্ষকগণের রাতদিন মেহনত, প্রতিষ্ঠানের অবদান ও ছাত্রদের কৃতিত্ত্ব চার দেয়ালের ভেতরে সীমাবদ্ধ রাখার সময় আর নেই, কওমি মাদ্রাসার অবদানের কথা আলেম ওলামাদের মাঝে ব্যাপক জানা শুনা থাকলেও দেশের সাধারণ মানুষ অনেকে এ বিষয়ে অজ্ঞ! সন্তান কোন শ্রেনীতে পড়ে তাও বাবা মা জানেননা, জামাতের নামটা আরবী বা উর্দূ হওয়াটাই তার মূল কারন, পরীক্ষার রেজাল্টতো আরো কঠিন বাংলা শিক্ষিত মা বাবার তা বুঝার কোন উপায় নেই, আরবী উর্দুতে প্রকাশিত কওমি রেজাল্টের তালিকা যেন বিরাট একটা তাবীজের মতো! সন্তানের রেজাল্ট যদি মা বাবা স্বচক্ষে নাদেখে তাহলে ঐ শিক্ষা ব্যবস্হা তাদের জন্য গুরুত্বহীন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া আমরা বাংলাদেশী আমাদের নিজস্ব মাতৃভাষা আছে, যে ভাষার জন্য এদেশের সন্তানেরা রক্ত দিয়েছে, সে ভাষা বাদ দিয়ে পাকিস্তানী ভাষায় পরীক্ষার এডমিট কার্ড, প্রশ্ন পত্র, উত্তর পত্র রেজাল্ট সব কিছুই করা হচ্ছে, এটা মাতৃভাষা ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন নয়কি? ছাত্ররা বাংলায় লেখার অভ্যাস না করলে আমাদের...