পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভাল মৃত্যূ ও তার আলামত!

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী হুসনুল খাতিমা বা ভাল মৃত্যু... ভাল মৃত্যু মানে- মৃত্যুর পূর্বে আল্লাহর ক্রোধ উদ্রেককারী গুনাহ হতে বিরত থাকতে পারা, পাপ হতে তওবা করতে পারা, নেকীর কাজ ও ভাল কাজ বেশি বেশি করার তাওফিক পাওয়া এবং এ অবস্থায় মৃত্যু হওয়া। এই মর্মে আনাস বিন মালিক (রাঃ) হতে সহিহ হাদিসে এসেছে তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- “আল্লাহ যদি কোন বান্দার কল্যাণ চান তখন তাকে (ভাল) কাজে লাগান।” সাহাবায়ে কেরাম বললেন: কিভাবে আল্লাহ বান্দাকে (ভাল) কাজে লাগান? তিনি বলেন: “মৃত্যুর পূর্বে তাকে ভাল কাজ করার তাওফিক দেন।” [মুসনাদে আহমাদ (১১৬২৫), তিরমিযি (২১৪২), আলবানি ‘সিলসিলা সহিহা’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ সাব্যস্ত করেছেন (১৩৩৪)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “আল্লাহ তাআলা যদি কোন বান্দার কল্যাণ চান তখন সে বান্দাকে ‘আসাল’ করেন। সাহাবায়ে কেরাম বলেন: আসাল কি? তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা বান্দাকে বিশেষ একটি ভাল কাজ করার তাওফিক দেন এবং এই আমলের উপর তার মৃত্যু ঘটান।[সহিহ আহমাদ (১৭৩৩০), আলবানি সিলসিলা সহিহা গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ ঘোষণা করেছেন (১১১৪)। ভ...

গর্দান মাসেহ করা মুস্তাহাব

⚜অযুতে গর্দান মাছেহ করার হুকুম কি? ✍🏻গর্দান মাসাহ করা মুস্তাহাব। দলীলঃ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ قَالَ: “مَنْ مَسَحَ قَفَاهُ مَعَ رَأْسِهِ وُقِيَ الْغُلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ” (أخرجه أبو عبيد في “كتاب الطهور” ص “373” رقم “368) قُلْتُ: فَيَحْتَمِلُ أَنْ يُقَالَ هَذَا وَإِنْ كَانَ مَوْقُوفًا فَلَهُ حُكْمُ الرَّفْعِ لِأَنَّ هَذَا لَا يُقَالُ مِنْ قِبَلِ الرَّأْيِ فَهُوَ عَلَى هَذَا مُرْسَلٌ (التلخيص الحبير، كتاب الطهارة، باب سنن الوضوء، رقم الحديث-97 ● ✔অনুবাদ-হযরত মুসা বিন তালহা বলেন-যে গর্দান মাসাহ করবে, সে কিয়ামতের দিন গলায় বেড়ি পরানো থেকে মুক্ত থাকবে। {কিতাবুত তুহুর-৩৭৩, হাদীস নং-৩৬৭} ● ■হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহঃ বলেন-বর্ণনাটি সম্পর্কে একথা বলা যায় যে, যদিও তা একজন তাবেয়ীর কথা হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে তা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর হাদীস গণ্য হবে। কেননা, তিনি ছাড়া অন্য কারো পক্ষে এমন সংবাদ দেওয়া সম্ভব নয়। {আত তালখীসুল হাবীর-১/৯২, হাদীস নং-৯৭} ● ⚜ এছাড়া আল্লামা বাগাভী রহঃ, ইবনে সাইয়িদুন্নাস রহঃ, শাওকানী রহঃ প্রমূখও অযুতে গর্দান মাসাহ করার কথা ব...

ভ্যালেন্টাইন ডে ও গুনেধরা মুসলিম যুব সমাজ!

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী ১৪ ই ফেব্রুয়ারী “বিশ্ব ভালবাসা দিবস” বা ভ্যালেন্টাইনস ডে” যা সারা বিশ্বে পরিচিত একটি দিবস, যে দিবস সম্পর্কে অনেকেরই ধারনা নেই। একজন ভালোবাসা প্রেমী ও সচেতন মুসলিম তরুন তরুনী হিসাবে ”ভ্যালেন্টাইনস ডে” ও তার পিছনের লোকানো ইতিহাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা থাকা খুবই দরকার। ইতিহাসঃ ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন। খৃষ্টানজগতে পাদ্রী-সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল - সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর - সেন্ট মার্...

নারী পুরুষের সালাত নিয়ে বিভ্রান্তি ও তার জবাব !

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী ভূমিকাঃ নারী পুরুষের সালাত নিয়ে বিতর্কের কমতি নেই, নারী পুরুষ উভয়ই মানুষ। এ হিসেবে উভয়ের মাঝে কোন তারতম্য নেই। নারী পুরুষ একে অপরের সহায়ক ও পরিপূরক। কাউকে বাদ দিয়ে কেউ পরিপূর্ণ হতে পারে না। কিন্তু এই স্বতঃসিদ্ধতা সত্ত্বেও উভয়ের মাঝে রয়েছে গঠনগত অনেক ব্যবধান। ব্যবধানই যদি না থাকতো তাহলে উভয়ের নাম ভিন্ন হতো না। নারীর ঋতুস্রাব হয়; কিন্তু পুরুষের তা হয় না। নারীর উদরে গর্ভথলি আছে; পুরুষের নেই। নারী সন্তান প্রসব করে, পুরুষ ধারণই করতে পারে না। নারীর স্বর, চেহারা দৈহিকগঠন এক রকম, পুরুষের ভিন্ন রকম। পুরুষের গোঁফ, দাড়ি গজায় নারীর স্বাভাবিকত তা হয়না। এটাই প্রমাণ করে নারী পুরুষ সর্বক্ষেত্রে সমান নয়। আগেও কখনো সমান ছিলো না, এখনও নেই, ভবিষ্যতেও কখনো হবেনা। এসব পার্থক্যের দিকগুলোকে বাহ্যিক জীবন যাপনের ক্ষেত্রে যেমন গুরুত্ব দেয়া হয়, তেমনি ইসলামি শরীয়তে ইবাদত পালনের ক্ষেত্রেও কিছু হুকুম পালনে পার্থক্য করে। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে হুকুম অভিন্ন। এসব ব্যবধানের দিক সবার অজানা নয়। কিছু ব্যবধান এখানে তুলে ধরলাম- ১. পুরুষের কর্মক্ষেত্র যুদ্ধের ময়দানে,...

বিতির সালাতে উল্টা তাকবীর!

- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী বিতির সালাতে কুনুত পূর্ব তাকবীর হাদীস দ্বারা প্রমানিতঃ বিতির সালাতের শেষ রাকাআতে কেরাতের পর তাকবীর দিয়ে কুনুত পড়ার প্রমান একাধিক সাহাবা হতে হাদীস বর্নিত হয়েছে- المغني - (1 / 832) وقال أبو عبد الله إذا قنت قبل الركوع كبر ثم أخذ في القنوت . وقد روي عن عمر رضي الله عنه أنه كان إذا فرغ من القراءة كبر ثم قنت ثم كبر حين يركع وروي ذلك عن علي وابن مسعود والبراء وهو قول الثوري  صح عن عمر عند ابن أبي شيبة رقم [7099] وكذلك البراء رقم [7102] واما أثر علي أخرجه ابن أبي شيبة رقم[7106] وفي سنده ابن أبي ليلى لا يحتج به ، وفيه أيضا الحارث الاعور . واخرجه ابن المنذر في الاوسط رقم[2728] وفيه عبد الأعلى بن عامر صدوق يهم . وأما أثر ابن مسعود أخرجه ابن المنذر رقم [2729] وفيه ليث بن ابي سليم . হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্নিত তিনি যখন বিতিরের শেষ রাকাআতে কেরাত পরা শেষ করতেন তখন তাকবীর দিয়ে কুনুত পড়ে পুনরায় তাকবীর দিয়ে রুকু করতেন। এভাবে বিতির পড়ার নিয়ম হযরত ইবনে মাসউদ ও বাররা (রাঃ) হতে ও বর্নিত আছে। উপরে সেসব হাদীসের দলীলের হাওয়া...

বিতির সালাত নিয়ে বিভ্রান্তি ও তার জবাব!

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী সৌদী আরবের প্রবাসী ভাইদের কিছু ইন্ডিয়ান ও বাংলাদেশী ভায়েরা এই বলে বিভ্রান্তি করে যে, তোমরা হানাফীরা যে বিতিরের সালাত আদায় করো তা জাল হাদীস! বিতর নামাযের একাধিক পদ্ধতি হাদীসের কিতাবে রয়েছে, তবে তোমরা যেভাবে বিতির পড়ো, অর্থাৎ দুই বৈঠক ও এক সালামে তিন রাকাত-এই পদ্ধতি হাদীস শরীফে নেই। তাদের বক্তব্য হল, বিতির যদি তিন রাকাতই পড়তে হয় তাহলে দ্বিতীয় রাকাতে বসা যাবে না। অন্যথায় তা মাগরিবের নামাযের সাদৃশ্য হয়ে যাবে। আর হাদীস শরীফে বিতরকে মাগরিবের সাদৃশ্য বানাতে নিষেধ করা হয়েছে। বার বার ওরা আমাদের নিকট ওয়াতসাবে প্রশ্ন লিখে পাঠাচ্ছে, দুই বৈঠক ও এক সালামে কি বিতর পড়া হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়? যদি না থাকে তাহলে আমরা কোন ভিত্তিতে এভাবে বিতর নামায আদায় করছি? উত্তর টি কষ্ট হলেও ধর্য্য ধরে পড়ুন - বিতির নামাজ দেশে যেভাবে আদায় করতেন সেভাবেই করবেন, বিভ্রান্ত হওয়ার কারন নেই, আমাদের বিতির সালাত সহি হাদীস দ্বারা প্রমানিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাধারণত তাহাজ্জুদের পর বিতির নামায পড়তেন। এটি ছিল নবীজীর সাধারণ অভ্যাস। বয়স ও পারিপার্শ্বিক বিভ...

পীর বাবা ও মাজারের নামে মানত!

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী দরগাহ ও পীরের নামে মানতঃ আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে অর্থাৎ পীর-ফকীর, ওলী-আওলিয়ার নামে বা মাযারের নামে মানৎ করা ও মানতের টাকা তাদের দানবাক্সে বা মসজিদে দেয়া হারাম, আল্লাহর নামে মানত করলে তা কোন বিপদগ্রস্হ গরীব মিসকিন বা এতিম যারা জাকাতের উপযুক্ত তাদের কেই প্রদান করবে। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে মানত করা যাবেনা কারন নযর বা মানৎ একটি ইবাদাত আর সকল প্রকার ইবাদাত কেবলমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিবেদিত; কোনো নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালাম বা পীর-ফকীর, ওলী-আওলিয়া অথবা মাযারে নযর বা মান্নত করা যাবে না, করলে তা শিরকী কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে। উল্লেখ্য যে, আল্লাহর নামে নযর বা মান্নত করলে তা পূর্ণ করা ওয়াজিব। মহান আল্লাহ বলেন: ﴿ إِذۡ قَالَتِ ٱمۡرَأَتُ عِمۡرَٰنَ رَبِّ إِنِّي نَذَرۡتُ لَكَ مَا فِي بَطۡنِي مُحَرَّرٗا فَتَقَبَّلۡ مِنِّيٓۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلسَّمِيعُ ٱلۡعَلِيمُ ٣٥﴾ [ال عمران: ٣٥] ‘‘ (ইমরানের স্ত্রী বিবি হান্নাহ) আল্লাহকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘হে আমার রব! আমার পেটে যে সন্তান আছে তা আমি কুক্ত করে আপনার উদ্দেশ্যে মান্নত করেছি।” [সূরা আল-‘ইমরান ৩:৩৫] আল্ল...

নামাজে নিয়ত পরিবর্তনঃ

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী নামাজে নিয়ত পরিবর্তন ও ইমাম মুক্তাদীর ভিন্ন ভিন্ন নিয়তঃ ফরয নামাজ আদায়কারীর পিছনে নফল সালাত আদায় করাঃ ফরয নামায আদায়কারী ইমামের পিছনে নফল নামায আদায় করা বৈধ। ইবনু কুদামাহ (রহঃ) বলেনঃ ‘আহলে ইলমদের এ বিষয়ে কোন মতভেদ আমাদের জানা নেই’। [মুগনী,৩/৬৮] আবু যার গেফারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ তোমার অবস্থা কেমন হবে, যখন শাষকগণ নামায সঠিক সময়ে না পড়ে বিলম্বে পড়বে? আমি বললামঃ এমন সময় আমার করণীয় কি? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ‘‘তুমি সঠিক সময়ে নামায পড়ে নিবে অতঃপর তাদের সাথে সেই নামায পেলে তাও পড়ে নিবে; কারণ সেটা তোমার জন্য নফল হবে’’। [মুসলিম] ইয়াজীদ বিন আসওয়াদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, একদা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ফজরের নামায আদায় করেন। নামায শেষে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই ব্যক্তিকে দেখেন, যারা তাঁর সাথে নামায পড়ে নি। তখন তিনি তাদের দু জনকে ডাকেন। তারা ভয়ে ভয়ে কাছে আসলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের বলেনঃ ‘‘তোমরা দুই জনে আমাদের সাথে...

জাহান্নামে যাওয়ার কারন ও মুক্তির উপায়ঃ

ছবি
প্রথমে আমরা মানুষ কে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়ার কারণগুলো জেনে নিই- জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়ার কারণ অসংখ্য ও অগণিত। আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন। সামগ্রিক কারণ হল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানি করা। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, ﴿وَمَن يَعۡصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَتَعَدَّ حُدُودَهُۥ يُدۡخِلۡهُ نَارًا خَٰلِدٗا فِيهَا وَلَهُۥ عَذَابٞ مُّهِينٞ ١٤﴾ [النساء: ١٤] “আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানী করে এবং তাঁর সীমারেখা লঙ্ঘন করে আল্লাহ তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন। সেখানে সে স্থায়ী হবে। আর তার জন্যই রয়েছে অপমানজনক আযাব”। জাহান্নামে প্রবেশের আরও কারণ: ১- আল্লাহর সাথে শরিক করা। ২- নবী ও রাসূলদের অস্বীকার করা। ৩- কুফরী করা। ৪- হিংসা করা। ৫- যুলম ও অত্যাচার করা। ৬- আমানতের খিয়ানত করা ৭- আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা। ৮- কার্পণ্য করা। ৯- মুনাফেকি করা। ১০- আল্লাহর আযাব হতে নির্ভীক হওয়া। ১১- আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া। ১২- কুরআন ও হাদিসে যে সব কবীরাগুনাহের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সে সব কবীরা গুনাহে লিপ্ত হওয়া। মুক্তির উপায়ঃ কিভাবে আমরা আমাদের ও আমাদের পরিবার-পরিজ...

জাহান্নাম

ছবি
চির দুঃখ-কষ্ট-পেরেশানী, লাঞ্ছনা-গঞ্জনা,অপমান, বিড়ম্বনা,দুর্ভাগ্য, লজ্জা-শরম, ক্ষুধা-পিপাসা, আগুন, অশান্তি,হতাশ-নিরাশা, চীৎকার-কান্নাকাটি, শাস্তি, অভিশাপ,আযাব-গযব ও অসন্তোষের স্থান হলো জাহান্নাম।  শান্তির লেশমাত্রই সেখানে নেই। হাত-পা ও ঘাড়-গলা শিকলে বেঁধে বেড়ি পরিয়ে দলে দলে জাহান্নামের অতল গহবরে নিক্ষেপ করা হবে। যেখানে শুধু অতিবেশি তেজ ও দাহ্য শক্তিসম্পন্ন আগুন ছাড়া আর কিছু নেই। দোযখের অগ্নিশিখা তাদেরকে উপর, নীচ এবং ডান ও বাম থেকে স্পর্শ করবে, জ্বালাতে-পোড়াতে থাকবে।  একবার চামড়া পুড়ে গেলে আবারো নুতন চামড়া গজাবে যেন বার বার আগুনের স্বাদ আস্বাদন করতে পারে। পিপাসায় প্রাণ পেটের নাড়ি-ভূঁমি গলে যাবে। এ হচ্ছে,আজাবের উপর আযাব। তাতে পিপাসা না কমে আরো তীব্র হবে। অতি দুর্গন্ধময় যাক্কুম এবং কাঁটাযুক্ত ঘাস ও গিসলিন হবে তাদের খাদ্য। ক্ষুধার তাড়নায় জঠর জ্বালায় তা ভক্ষণ করতে গেলে পেটের ভেতরে আরো যন্ত্রণা বাড়াবে। খাদ্য এবং পানীয় হবে আযাবের অন্যতম উপকরণ। অতিশয় ঠান্ডা ও হিম প্রবাহ দ্বারাও আরেক প্রকার শাস্তি দেয়া হবে। বরফের চাইতে শত গুণ ঠান্ডা যামহারীরে তাদেরকে র...