পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নামাজে মোবাইলে রিং বাজলে করনীয়ঃ

- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী নামাজরত অবস্থায় রিং বেজে উঠলে কি করবেন? মসজিদে ঢুকতে ভূলে রিংটোন বন্ধ করা হয়নি, ইমাম সাহেব নামাজে কোরআন তেলাওয়াত করছেন এদিকে মুক্তাদীর মোবাইলে হিন্দি গানের রিংটোন বাজছে! সকল মুসল্লীদের (খুশু হুযু) নামাজের ধ্যান নষ্ট করে দিল, ঠিকমতো মুক্তাদীদের কে ইমামের ক্বেরাত শুনতে ও দিলনা! তার পরেও নামাজ ভেঙ্গে যাওয়ার ভয়ে মোবাইলে হাত দিচ্ছেনা ! গান বাজতেই আছে!!! আসলে নামাজ ভঙ্গের যেসব কারণ আছে তন্মধ্যে একটি হলো- আমলে কাসীর। আমলে কাসীর বলা হয়, নামাজি ব্যক্তির এমন কোনো কাজে লিপ্ত হয়ে যাওয়া যা অন্য কেউ দেখলে মনে করবে সে নামাজে নেই। আর নামাজি ব্যক্তির প্রতি অন্য ব্যক্তির এরূপ ধারণা তখনই সৃষ্টি হয় যখন সে দু'হাত ব্যবহার করে কোনো কাজ করে। এক হাত নামাজে ব্যস্ত রেখে অন্য হাত দিয়ে কাজ করলে এমন ধারণা মোটেও সৃষ্টি হয় না। এ কারণেই ফিকাহবিদগণ নামাজের মধ্যে প্রয়োজনে একহাত ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন। তারা বলেছেন- নামাজরত অবস্থায় টুপি উঠানো, জামার হাতা নামানো, সিজদার স্থানের কঙ্কর সরানো, শরীর চুলকানো এবং এ জাতীয় অন্যান্য কাজ করার জন্য এক হাত ব্যবহার করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই দু...

শিশুদের "নজর ফোঁটা"

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী ছোঠ বাচ্চাদের কপালে “নজর ফোঁটা” দেওয়া ও হাতে কুমরে “সুতা/তাগা” বাঁধা এবং ছেলেদের কর্ন চেদন করে দুল ঝুলানো শিরকঃ হযরত লোকমান (আঃ) তাঁর ছেলেকে উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন- “নিশ্চয়ই শিরক হচ্ছে সব চাইতে বড় যুলুম” -আল কোরআন সুরা লোকমান। শির্ক সব চাইতে বড় পাপ, শির্ক করে তওবা না করে মারা গেলে চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে। সঠিক জ্ঞানের অভাবে কোন কাজগুলো শির্ক বা কবীরা গোনাহ তা আমরা অনেকেই  জানিনা। অনেকেই না জেনে এমন কিছু কাজ করে বসে যেগুলো শির্ক। সেজন্যে নারী ও পুরুষ সকলের জন্য দ্বীনী ইলম শিক্ষা করা ইসলামে ফরয করা হয়েছে। অথচ আজকাল মুসলিম সমাজের অবস্থা এমন হয়েছে যে ধর্ম কি তা পুরাপুরি জানেইনা,  দেশের স্কুল গুলোতে ধর্মীয় শিক্ষা বলতে শুধু নামকে ওয়াস্তে ! ছাত্র ছাত্রীরাতো দুরের কথা কোন ধর্মীয় জরুরী মাসআলা মাসায়েল জিজ্ঞাসা করলে একজন মুসলিম হেড মাষ্টার ও তার জবাব দিতে পারবেনা! অথচ এসব জানা সকল মুসলিমের জন্য ফরজ ছিল। আমি যে প্রসংগে বলছিলাম, দেশের অনেক মা-বোন তাদের সন্তানদেরকে বাইরে নিয়ে বের হওয়ার সময় মাথায় বা কপালে কালি দিয়ে “নজর ফোঁটা” লাগিয়ে দেন অনেকে শিশুর হা...

সাহাবায়ে কেরামদের চট্টগ্রাম সফর!

- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী "চট্টগ্রাম" বিশ্বের সু-প্রাচীন জনপদ সমূহের একটি হিসেবে ঐতিহাসিক ও ভৌগলিকভাবে প্রমাণিত ও স্বীকৃত। এটা বাংলার বাবুল ইসলাম বা ইসলামের প্রবেশ দ্বার হিসাবে খ্যাত। এখানে তিন দিক দিয়ে ইসলামের আগমন ঘটে। প্রথমত: আরব বণিকগণের মাধ্যমে, দ্বিতীয়ত: হক্কানী পীর আউলিয়াদের মাধ্যমে, তৃতীয়ত: বিজেতাদের মাধ্যমে, এখানে উল্লেখিত প্রথম বিষয়টির উপর সংক্ষেপে আলোচনার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আরব বণিকগণ : আরব ছিলো খাদ্য ঘাটতির দেশ, তাদের বাধ্য হয়ে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাইরে যেতে হতো। স্বয়ং রাসূল (সা) ও নিজেই এ রকম বেশ কয়েকটি কাফেলায় শরীক ছিলেন। তৎকালীন আমদানী রপ্তানী বাণিজ্যে আরবদের জুড়ি ছিলোনা। তাদের গ্রীষ্ম ও শীতকালীন বিদেশ যাত্রার কথা কুরআনে কারীমের সূরা কুরাইশে বর্ণিত হয়েছে। আরব ভূ-খন্ড হচ্ছে একটি উপদ্বীপ। তার তিন দিকের স্থল ভাগের অধিকারী ছিল তৎকালীন দুই বৃহৎ পরাশক্তি রোম ও পারস্য, তাদের উপর দিয়ে বাণিজ্য পরিচালনা আরবদের জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বাধ্য হয়ে সামুদ্রিক পথকে বেছে নিতে হয়। উজানের পানিতে কীভাবে জাহাজ চালাতে হয় এবং জোয়ার-ভাটায় জাহাজ চালানোর পদ্ধতি বিশ্ববাসী আরব...

খতনা এবং আমাদের কূসংস্কার!

- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী ইসলামী শরীয়তে ছেলেদের খতনা করানো সুন্নাত এবং ছোয়াবের কাজ, আধুনিক বিজ্ঞানেও খতনার অনেক উপকারিতার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এই সুন্নাত কে আজ বিভিন্ন  মূর্খতা ও অজ্ঞতার কারনে কুসংস্কারের সংমিশ্রণ করে কিছু লোক বিদাআতে পরিনত করেছে! সাধারন মানুষের দেখা দেখি কতিপয় আলেমদের ও এসব বিদআতে পতিত হতে দেখা যায়! আবার কেউ কেউ এসব কূসংস্কার কে আধুনিকতা মনে করেন। হাদীস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত, খতনা করা সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরামগণের সুন্নাত এবং ইসলামের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। হযরত আবু আয়্যুব (রা.) বলেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- চারটি জিনিস নবীগণের সুন্নাত তাহলো খতনা, আতর,মিছওয়াক ও বিবাহ। এ পবিত্র ধর্মীয় বৈশিষ্ট্যের মধ্যে জাগরিত কলঙ্কজনিত খারাপ উদ্দেশ্যের সংমিশ্রণ না করাই বিবেকের দাবী। বিশেষ করে বর্তমান যুগে এ জাতীয় কুসংস্কার থেকে শুধু ধর্মীয় ঐতিহ্য অটুট ও সবল রাখার জন্যে দূরে থাকা বিশেষ প্রয়োজন। খতনা সম্পর্কে আমাদের দেশে যে প্রথা প্রচলিত আছে যেমন খতনার সপ্তম দিনে তার ছেলের মাথার চুল কেটে গোসল দিয়ে ভাল ভাল কাপড় পরিধান করিয়ে মেহেদী লাগিয়ে দুলার মত সাজানো হয়। তারপ...

ইসলামে কদম বুচি বিজাতীয় কালচার!

ছবি
শায়খ ছাঈদ কেদালাভী আমাদের মুসলিম সমাজে আরেকটি বিজাতীয় রুসুম প্রচলিত আছে তা হচ্ছে " কদম বুচি" যে শব্দটি ভারতে প্রনাম বলে খ্যাত! ছোঠদের কদম বুচি করতে নেই শুধু বয়সে বড় আর মুরুব্বীদেরই কদম বুচি বা প্রনাম করতে হয় যা পুরাপুরি ইসলাম বিরোধী! বিভিন্ন বেদাতী এলাকায় কদম বুচি না করাকে মারত্ত্বক বেয়াদবি মনে করা হয়। দেখা-সাক্ষাৎ এবং বড়দের সম্মান করার সুন্নতি পদ্ধতি রাসূল সাঃ থেকে প্রমাণিত। তাই উক্ত পদ্ধতি রেখে কোন বিধর্মীর পদ্ধতি অবলম্বন করা জায়েজ নয়। কারো সাথে দেখা হলে সালাম দেয়া। দীর্ঘদিন পর কোন ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা আত্মীয়ের সাথে দেখা হলে সালাম দেয়ার পর মুসাফাহা করা বা এবং সর্বোচ্চ কোলাকুলি করা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। কদমবুচি করা প্রমাণিত নয়। বরং এটি হিন্দুয়ানী রুসুম। যা অবশ্যই পরিত্যাজ। কদমবুচি করার দ্বারা শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি খারাবী লাযেম হয়। যথা- ১-গায়রুল্লাহের সামনে মাথাকে অবনত করা হয়। যা হারাম। ২-বিধর্মী তথা হিন্দুয়ানী রুসুম পালন করা হয়। বিধর্মীদের আদর্শ অনুসরণও হারাম। ইসলাম ধর্মে কারো সাক্ষাত হলে সালাম বা মুসাফাহা করার নিয়মঃ রাসুল (সা) বলেন- عَنْ قَتَادَةَ، ق...

সুন্নাতী নেকাহ

"সুন্নাতী নিকাহ" মুসলিম যুবকের অহংকার! - শায়খ ছাঈদ কোদালাভী যে সব মুসলিম ভায়েরা বিবাহের উপযুক্ত বিবাহ নিয়ে ভাবছেন এবং যে সব অভিবাবক সন্তানদের বিয়ে দেবেন তার আগে জেনে নিন এই গুরুত্বপূর্ন ইবাদাতটি কিভাবে সম্পাদন করা উচিৎ- একজন আদর্শবান মুসলিম যুবক বা অভিবাবক তার প্রান প্রিয় রাসুলের ত্বরীকা মতো নিকাহ সম্পাদন করাকে আনন্দ ও গর্ববোধ মনে করেন। তাই আসুন জেনে নিই বিবাহের কতিপয় সুন্নত সমূহ যা হাদীস দ্বারা প্রমানিতঃ- (১) সুন্নাতী বিবাহ সাদা সিধে ও অনাড়ম্বর হবে, যা অপচয়, অপব্যয়, বেপর্দা ও বিজাতীয় সংস্কৃতি মুক্ত হবে এবং তাতে যৌতুকের শর্ত বা সামর্থের অধিক মহরানার শর্ত থাকবেনা। (তাবারানী আউসাত, হাদিস নং- ৩৬১২) (২) সৎ ও খোদাভীরু পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করে বিবাহের পূর্বে পয়গাম পাঠানো। কোন বাহানা বা সুযোগে পাত্রী দেখা সম্ভব হলে, দেখে নেয়া মুস্তাহাব। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটা করে পাত্রী দেখানোর যে প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত তা সুন্নতের পরিপন্থী ও পরিত্যাজ্য। (বুখারী হাদিস নং-৫০৯০, ইমদাদুল ফাতাওয়া-৪: ২০০) (৩) শাউয়াল মাসে এবং জুমুয়ার দিনে মসজিদে বিবাহ সম্পাদন করা। উল্লেখ্য,...

কবর ওয়ালা মসজিদে নামাজ!

কবর ওয়ালা মসজিদে নামাজ পড়া যাবে? - ছাঈদ কোদালাভী উত্তরঃ কবর সংশ্লিষ্ট মসজিদে নামায আদায় করা দু’ভাগে বিভক্তঃ প্রথম প্রকারঃ প্রথমে কবর ছিল। পরবর্তীতে তাকে কেন্দ্র করে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ওয়াজিব হচ্ছে এই মসজিদ পরিত্যাগ করা; বরং মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা। যদি না করা হয় তবে মুসলিম শাসকের উপর আবশ্যক হচ্ছে উক্ত মসজিদ ধ্বংস করে ফেলা। দ্বিতীয় প্রকারঃ প্রথমে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। পরে সেখানে কোন মৃতকে দাফন করা হয়েছে। তখন ওয়াজিব হচ্ছে, কবর খনন করে মৃত ব্যক্তির লাশ বা হাড়-হাড্ডি সেখান থেকে উত্তোলন করে, মুসলমানদের গোরস্থানে দাফন করা। এই মসজিদে শর্ত সাপেক্ষে ছালাত আদায় করা জায়েয। আর তা হচ্ছে, কবর যেন মসজিদের সম্মুখভাগে না হয়। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কবরের দিকে ছালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ভারত ও বাংলাদেশের অনেক দরগাহ ও মাজারে মুসল্লীদের জন্য নামাজ পড়ার জায়গা রাখা হয়, ওখানে অনেকেই কবর কে সামনে নিয়ে নামাজ আদায় করে থাকেন যা সম্পূর্ন হারাম। কেউ প্রশ্ন করতে পারে, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কবর তো মসজিদের মধ্যে? এর জবাব কি? এর জ...

বাঁসর রাতে স্বামী স্ত্রীর নামাজ!

- ছাঈদ কোদালাভী "বাঁসর রাত" দাম্পত্য জীবনের একদম প্রথম ধাপ, সাহাবায়ে কেরামগন কিভাবে তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু করতেন? আসুন জেনে নেই প্রথম কোন কাজ দিয়ে আমরা আমাদের মুল্যবান যুগল জীবনের যাত্রা শুরু করবো- উসাইদের দাস আবু সাঈদ বলেন, আমি বিয়ে করলে আবু যর গিফারী, ইবনু মাসউদ ও হুযায়ফা (রাঃ) আমাকে বললেন, তোমার ঘরে যখন তোমার  স্ত্রী প্রবেশ করবে, তখন তুমি দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করবে এবং তার কল্যাণের জন্য দো‘আ করবে ও অকল্যাণ হ’তে আশ্রয় প্রার্থনা করবে" - (ইবনু আবী শায়বাহ হা/১৭১৫৩; ইরওয়া হা/৫২৩ আলবানী, আদাবুয যিফাফ পৃ:২২, সনদ ছহীহ) । অন্য বর্ণনায় ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বাঁসরের পূর্বে স্ত্রীকে তার পিছনে দাঁড় করিয়ে জামা‘আত সহ দু’রাক‘আত ছালাত আদায়ের পরামর্শ দেন - (ইবনু আবী শায়বাহ হা/১৭৪৪১; আদাবুয যিফাফ ২২ পৃঃ, সনদ ছহীহ) । অত্র হাদিস থেকে এটাই জানা যায় যে বাঁসর রাতে প্রথম কাজ হলো দুই রাকাত নামাজ একসাথে পড়ে, পরষ্পরের জন্য,এবং পরবর্তী জীবনের জন্য দোয়া করা, অতঃপর স্ত্রীর কপালের উপরিস্থিত চুল ধরে বিসমিল্লাহ বলে এই দুআ পাঠ করা সুন্নাত-  اَللّهُمَّ إِنّيْ اَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَي...

কনে বাড়ীর জুলুমি খানা ও আমাদের নির্লজ্জ সমাজ!

ছবি
- ছাঈদ কোদালাভী যে খানা কনের পক্ষ হতে জোর করে চেয়ে খাওয়া হয় তার কথাই লিখছি, যেখানে দশজন মেহমান কে আপ্যায়ন করার মতো কনে পক্ষের সামর্থ্য নেই সেখানে তিনশো পাঁচশো বা এক হাজার বর যাত্রীর খানা শর্ত দেয়া, এবং কনে পক্ষ দূর্নাম ও মেয়ের বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার ভয়ে বাধ্য হয়ে পুরা গ্রাম হতে চাঁদা তুলে অথবা ভিক্ষা করে বা সুদের উপর টাকা নিয়ে হলেও বরযাত্রীদের খানার ব্যবস্হা করেন। আমরা এসব খানা খাওয়ার পুর্বে কখনো ভেবে দেখেছি কি এই  কুর্মা পুলাও জর্দ্দা, খাসী মুরগীর দূরূস, চাগলের দূরূস ও চিংড়ি কোথা হতে এলো? এসব খানা তৈরী করতে কনের হত দারিদ্র মাতা পিতার কত কষ্ট হয়েছে! কত লোকের দারে দারে যেতে হয়েছে! আপনার বর যাত্রীদের খানার ব্যবস্হার কথা ভেবে ওরা রাতকে রাত জাগ্রত ছিল, দূঃশ্চিন্তায় ওদের কত রাতের আরামের ঘুম হারাম হয়েছিল আমরা কখনো ভেবেছি? এসব ভাবলে কোন বিবেকবান মানুষের মুখে এই "জুলুমী খানা" প্রবেশ করবেনা। কি নির্লজ্জ খানা! বিয়ের কার্ড ছাপিয়ে মেহমানদের দাওয়াত করে বর পক্ষ অথচ নিজের ঘরে খানার ব্যবস্হা না করে গাড়ী ভাড়া করে সকল কে পাঠিয়ে দেয় কনের বাড়ীতে!   সেচ্চায় কনের বাপের দাওয়াত ছাড়া চলন ব...

যৌতুক একটি সামাজিক ক্যান্সার!

- ছাঈদ কেদালাভী যৌতুক আমাদের দেশের একটি সামাজিক ক্যান্সার! বর বা তার অভিবাবকের চাপে কনে পক্ষ থেকে বিভিন্ন জিনিসপত্র আদায় করা যেমন কনের অলঙ্কার, ফার্নিচার ঘরোয়া আসবাবপত্র ইত্যাদি সহ অতিরিক্ত নগদ টাকা গ্রহনই হচ্ছে যৌতুক! যা ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ বরং এটি এক প্রকারের জুলুম যা মারাত্বক পাপ! আগে এ ধরনের সংস্কৃতি হিন্দূস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে দেখা যেত, কিন্তু ক্রমে ক্রমে ইন্ডিয়ার চার পার্শ্বের মুসলিম দেশ সমুহে ও তা বিস্তার করেছে, এবং দিন দিন তার ভয়াবহতা বেড়েই চলছে, নির্যাতিত হচ্ছে আমার দেশের অসংখ্য মা বোনেরা, মেহেদীর রং না মুছতেই সংসার হারা হচ্ছে অনেক নব বধু! যৌতুক দিতে নাপারায় এসিডদগ্ধ হচ্ছে হাজারো অবলা নারী! যে ধর্মে নব বধূ কে মোহরানা আদায় করে গ্রহন করতে বলা হয়েছে সেখানে নব বধূ হতেই আমরা আদায় করছি নগদ টাকা সহ ফার্নিচার ও অন্যান্য আসবাবপত্র ইত্যাদী , আল্লাহর হকুমের অমান্য করার কারনেই আজ সংসারে এতো অশান্তি। যৌতুক এক প্রকারের সুদ ও ঘুষ! বর বা তার গার্জিয়ানের পক্ষ থেকে যদি এমন শর্ত করা হয় যে কনে বা তার গার্জিয়ানের পক্ষ থেকে হাদিয়া তুহফা বা টাকা-পয়সা ইত্যাদি উপঢৌকন না দিলে, উক...

পাগড়ি'র বিধানঃ

ছবি
- শায়খ ছাঈদ কোদালাভী প্রিয় নবী (সাঃ) এর সুন্নাতি লেবাস ছেড়ে মানুষ এখন বিধর্মীদের আধুনিক পোষাক ও ফ্যাশনের পিচনে দৌড়াচ্ছে, কেউ কেউ নিজের পছন্দের কোট টাই কে প্রাধন্য দিতে গিয়ে রাসুলের সুন্নাতি পোষাক টুপি পাগড়ি কেও সুন্নাহ বলে স্বীকার করেনা এবং ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছে, পাগড়ির কথা কোন হাদীসে নেই ওটা সুফিয়ানা পোষাক! রাসুল (সাঃ) এর এই রাজকীয় পোষাক কে ওরা ঠাট্টা বিদ্রূপ করে অপমান করে থাকেন এবং বেদ্বীনী পোষাক কোট টাই পরাটা কে যুগউপযোগী ও গর্ব মনে করেন, আর মিডিয়াতে বসে ঐ সব বাংলা শায়খরা সাধারন মানুষ কে ল্যাকচার দিয়ে বেড়ায় টুপি পাগড়ির কথা কোরআন হাদীসে নেই! ইন্ডিয়া পাকিস্তানে তাদের প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা গুলোতে ছাত্রদের পোষাক হিসেবে কোট টাই কেই বাধ্যতা মূলক করেছে! ইসলামী ও সুন্নাতি পোষাক নাকি সেকেলে! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবা গন পাগড়ি ব্যবহার করতেন যা তা বহু হাদীস দ্বারা প্রমাণিত আছে। এখানে দু’ একটি হাদীস উল্ল্যেখ করছি। হযরত যাবের রা. বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মক্কায়) প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর মাথায় কালো পাগড়ি ছিল।-সহীহ...