পোস্টগুলি

2018 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ধর্মীয় শিক্ষায় কোদালা আজিজিয়া মাদ্রাসার অবদান!

ছবি
শাইখ ছাঈদ কোদালাভী কোদালা আজিজিয়া মাদ্রাসা"  চট্টগ্রামের রাঙ্গুনীয়া উপজেলার একটি পৌনে একশো  !বছরের প্রাচীনতম দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইসলামী শিক্ষার প্রচার প্রসারে দীর্ঘদিন ধরেলোকবর্তিকা হিসেবে এগিয়ে চলছে চট্টলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলাধীন কোদালা ইউনিয়নের আল-মাদ্রাসাতুল আজিজিয়া কাসেমুল উলূম কোদালা ও এতিমখানা। ১৯৩৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি চট্টগ্রাম সহ সারা দেশের মুসলমানদের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি দ্বীনের প্রচার প্রসারে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে চলেছে।  প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা নিরিবিলি পরিবেশে মাদ্রাসাটিতে একদিকে এতিম শিক্ষার্থীদের ভরণপোষণের দায়িত্ব ও অন্যদিকে অধ্যায়নকারীদের বিনা খরচে পরিপূর্ণ আধুনিক ও ধর্মীয় জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলা হয়।  কেন্দ্রিয় কওমি মাদ্রাসা পটিয়া শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এটি পরিচালিত হয়ে এবতেদায়ী, ছানোবীয়া, ছানোবীয়া হাচ্ছা, ডিগ্রী (স্নাতক) সমমান জামাতে উলা'র মারকাজী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যুগ যুগ ধরে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে ব্যাপক সুনাম অর্জন করে চলেছে। এভাবে পৌনে শত বছর ধরে মাদ্রাসাটি ধর্ম শিক্...

কোদালা আজিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক সভা সফল হোক

ছবি
শাইখ ছাঈদ কোদালাভী আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রানপ্রিয় মাদরে এলমির বার্ষিক সভা ঘনিয়ে আসছে, আকাবিরদের মতে সভার উদ্দেশ্য ২টি -  ১) বৎসরের এই দিনে সাধারনের নিকট মাওয়ায়েজে হাসনার মাধ্যমে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছানো ও মাদ্রাসার মুহাব্বত সৃষ্টি করা  ২) দ্বীনের দাঈ তৈরীতে মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং সবল করা। সরকারী কোন অনুদান ছাড়াই সাধারনত রমজানের জাকাত ফিতরা কোরবানীর চামড়া ও বার্ষিক সভার আয় হতেই দেশের সকল কওমি মাদ্রাসা গুলে পরিচালিত হয়। এবছর চামড়ার ভালো মুল্য নাপাওয়াই এতিমদের লিল্লাহ বোর্ডিং পরিচালনায় হিমসিম খেতে হচ্ছে প্রতিটি কওমি মাদ্রাসার। তাই হযরত মুহতামিম সাহেব হুজুর দেশ ও বিদেশের কোদালার সকল ধর্মপ্রান দোস্ত আহবাবদের প্রতি মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়ন ও বার্ষিক সভার সফলতার জন্য দোয়া চেয়েছেন, গতকাল এক ফোনালাপে তিনি রাঙ্গুনীয়ার সকল প্রবাসী ভাইদের প্রতি আগামী ২৪ নভেম্বর শনিবার অত্র মাদ্রাসার বার্ষিক সভা সফল করার অনুরুধ জানিয়েছেন।

মুক্তি যুদ্ধে কওমি আলেমদের ভূমিকাঃ

ছবি
১৯৭১ সালের মুক্তি যুদ্ধে দারুল উলুম দেওবন্দ ও কওমি আলেম সমাজের ভূমিকাঃ -- শাইখ ছাঈদ কোদালাভী-- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কওমি মাদ্রাসার যুবক ছাত্ররা হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভীর সর্বশেষ জীবিত খলিফা হাফেজ্জী হুজুর রহমাতুল্লাহ আলাইহি কে জিজ্ঞাস করেছিল এই যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে এই যুদ্ধটা সম্পর্কে আপনার অভিমত কি ? তখন হাফেজ্জী হুজুর রহমাতুল্লাহ আলাই উত্তর দিয়েছিলেন-এটা হচ্ছে জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের যুদ্ধ।পাকিস্তানিরা হচ্ছে জালেম আর আমরা বাঙ্গালীরা হচ্ছি মজলুম। হাফেজ্জি হুজুরের এই কথা শুনে অনেক আলেম মুক্তি যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল।সাংবাদিক শাকের হোসাইন শিবলিরএকটি বই আছে “আলেম মুক্তি যুদ্ধাদের খোজে”এই বইটিতে আপনারা অনেক বড় বড় আলেম যারা দেশের বিভিন্ন ক্বওমি মাদ্রাসা থেকে পাস করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁদের বীরত্বের কাহিনী পাবেন।  কিন্তু ঐ আলেমরা ওলামা লীগ করতো না।  উনারা শুধু দেশ মাতৃকারটানে ও নির্যাতীতনারীদের কে পাকিস্তানী হানদার বাহিনীর লালসার হাত থেকে বাঁচানোর জন্যই মুক্তিযুদ্ধ করেছিল।  #১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্...

কওমি চামড়া শিল্প গড়ে তুলুন!

ছবি
চামড়া শিল্প নিয়ে কওমি মাদ্রাসা বিরোধী চক্রান্ত রোখতে সম্মিলিত "কওমি চামড়া শিল্প" গড়ে তুলুন- কোরবানীর চামড়ার মূল্য নিয়ে যা করা হচ্ছে এটা শুধু কওমী মাদ্রাসাসমূহে ক্ষতিগ্রস্থ করাই নয়, এটা একটি রাষ্ট্র বিরোধী চক্রান্তও। একটি বিশেষ গোষ্ঠীর চক্রান্তে আজ চামড়া শিল্পকে অবহেলার চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কওমী মাদ্রাসাসমূহ শুধু চামড়ার মূল্য দিয়ে চলে না। এর পেছনে মহান আল্লাহর বিশেষ করুণাও আছে। সুতরাং যারা চক্রান্ত করে এ শিল্পকে অন্যদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য কাজ করছে তারা রাষ্ট্র বিরোধী কাজ করছে এর মধ্যে কোন সন্দেহ নেই। এসব অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের এমন কোন পণ্য নাই যার দাম বিগত বছরসমূহে বাড়ে নাই। একমাত্র চামড়াটাই ব্যতিক্রম। এটা যে উদ্দেশ্যেমূলক তা পরিস্কার। এর জন্য উলামাদের উদ্যোগে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা কাম্য। চামড়াজাত কোন পণ্যের দাম কমে নাই। শুধু কোরবানীর সময়ে যাতে মাদ্রাসাগুলো নগদ কিছু অর্থ না পায় তা বন্ধ করার জন্যই দামের এই বিশাল ডিসকাউন্ট। মাদ্রাসাসমূহের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহন সময়ের দাবী। ঈদের দিন ব্যাপক আকারে চামড়া সংগ্রহ করে এগুলো কিছুদিন সংরক্ষ...