ফেইসবুক লাইভে দেহ প্রদর্শন ও আড্ডা দেয়া ফালতু মেয়েদের একটি নোংরা অভ্যাস!!
ঠোঁট কামড়িয়ে জিহবা বের করে বুকের কাপড় সরিয়ে গভীর রাতে মেকাপ করা মুখটি হাজার হাজার যুবকদের উপস্হাপন করে আড্ডা দেয়া, ছেলেদের নোংরা কমেন্ট গুলো পড়ে মঝা নেয়া, দেহ প্রদর্শন করে কমেন্টে ছেলেদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্হা করে দেয়া, তাদের বিভিন্ন আবদার রক্ষায় অশালিন আচরন করে নোংরা বিনোদন দেয়া ইত্যাদী কোন ভালো ঘরের বা আদর্শবান নেককার দ্বীনদার মেয়ের কাজ নয় বরন এটি একটি ফালতু ও নোংরা মেয়েদের যৌন খেলা!
এসব কাজ প্রায় হোষ্টেলে থাকা ও প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে না দেয়া এবং বিভিন্ন দেশে চাকুরীরত স্বাধীনচিত্তের যুবতি মেয়েরাই বেশী করে থাকেন।

পবিত্র কোরআন মজিদে এসব মেয়েদের খবিশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, এদের বিয়ে হবে তাদের মতো খবিশদের সঙ্গে, মু'মিন যুবকদের জন্য তাদেরকে হারাম করা হয়েছে। ঈমানদার নেককার যুবকরা সতি স্বাধবী রমনীদের বিয়ে করবে এটাই আল্লাহ সুবহানাহু অতাআলার ঘোষনা।


ইদানিং বিনোদনের নামে দেশের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে ফেইসবুক পেইজের এসব লাইভ ভিডিও। কিছু অখ্যাত মডেল অভিনেত্রীর পাশাপাশি অন্ধকার জগতের কিছু মেয়েদের দিয়ে নিজের ফ্যান পেইজে লাইক বাড়ানোর জন্য একটি মহল এই লাইভ ভিডিওগুলো অনলাইনে ছাড়ছে। লাইভে এসে মেয়েরা নিজেদের এমন কিছু পোশাকে উপস্থাপন করছে যাতে যুবকদের সহজেই আকৃষ্ট করা যায়। বিশেষ করে এসব লাইভ পেইজগুলো মধ্য রাতেই বেশি লাইভে দেখা যায়। প্রথম দিকে রেশমি আলন (Rashmi Alon), জেকলিন মিথিলা (jeklin mithila) নামের মডেল তাদের পেইজে লাইভে এসে চ্যাটিং করার প্রবণতা শুরু করে।পরবর্তীতে আরো অসংখ্য ফেইজবুক পেইজে নামে-বেনামে বিভিন্ন মেয়েরা টাকার বিনিময়ে লাইভে এসে নোংরা চ্যাটিংসহ শরীর প্রদর্শন করছে। আর এতে উঠতি বয়সের যুবকেরা সেই পেইগুলোতে লাইক দিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে। রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথেই সেই মেয়েগুলো তাদের পেইজগুলোতে লাইভ অন হয় এবং নিজেদেরকে নোংরাভাবে উপস্থাপন করে। কিছু অসাধুচক্র এই অন্ধকার জগতের মেয়েদের লাইভে প্রকাশ করে সহজেই তাদের পেইজের লাইকার সংখ্যা বৃদ্ধি করার একটা সহজ উপায় হিসেবেই এই অন্ধকার পথ বেছে নিয়েছে বলেই মনে হয়।

এই লাইভ পেইজগুলোতে উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়ে বিশেষ করে স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরাই বেশি দেখে থাকে। তাতে একদিনে তাদের লেখাপড়ার যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি নৈতিকতারও বিপর্যয় ঘটছে। আর এসব ঘটনার ফলে এই সকল ছেলে-মেয়েরা যৌনতার পথে আকৃষ্ট হয়ে নেশার জগতে পা রাখছে। এতে ধর্ষণের সংখ্যাও ভবিষ্যতে বাড়বে বলেই আশংকা করা যায়।

এসব অন্ধকার পথ থেকে ছেলে-মেয়েদের সড়াতে না পারলে তাদের ভবিষ্যৎ আরো বেশি অন্ধকারে ধাবিত হবে। এব্যাপারে প্রশাসন কর্তৃক কঠোর নজরদারির মাধ্যমে এই পেইজ ও আইডি গুলো বন্ধ করতে পারলেই হয়তো এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।



শেয়ার করে ঐসব নোংরা মেয়দের কূপ্রভাব হতে আমাদের সমাজ, ও মা বোনদের হেফাযত করুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্র ও রেজাল্ট বাংলা ভাষায় করা হোক!

কওমী মাদ্রাসা সনদ স্বীকৃতি প্রসঙ্গঃ

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (ইত্তেহাদুল মাদারিস) মারকাজী পরীক্ষা-২০১৯ এর ফল প্রকাশ!