কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্র ও রেজাল্ট বাংলা ভাষায় করা হোক!
কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সকল প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ পাকিস্তানী ভাষার বদলে মাতৃভাষা বাংলায় করা হোক!
শিক্ষকগণের রাতদিন মেহনত, প্রতিষ্ঠানের অবদান ও ছাত্রদের কৃতিত্ত্ব চার দেয়ালের ভেতরে সীমাবদ্ধ রাখার সময় আর নেই, কওমি মাদ্রাসার অবদানের কথা আলেম ওলামাদের মাঝে ব্যাপক জানা শুনা থাকলেও দেশের সাধারণ মানুষ অনেকে এ বিষয়ে অজ্ঞ!
সন্তান কোন শ্রেনীতে পড়ে তাও বাবা মা জানেননা, জামাতের নামটা আরবী বা উর্দূ হওয়াটাই তার মূল কারন, পরীক্ষার রেজাল্টতো আরো কঠিন বাংলা শিক্ষিত মা বাবার তা বুঝার কোন উপায় নেই, আরবী উর্দুতে প্রকাশিত কওমি রেজাল্টের তালিকা যেন বিরাট একটা তাবীজের মতো! সন্তানের রেজাল্ট যদি মা বাবা স্বচক্ষে নাদেখে তাহলে ঐ শিক্ষা ব্যবস্হা তাদের জন্য গুরুত্বহীন হওয়াটাই স্বাভাবিক।
তাছাড়া আমরা বাংলাদেশী আমাদের নিজস্ব মাতৃভাষা আছে, যে ভাষার জন্য এদেশের সন্তানেরা রক্ত দিয়েছে, সে ভাষা বাদ দিয়ে পাকিস্তানী ভাষায় পরীক্ষার এডমিট কার্ড, প্রশ্ন পত্র, উত্তর পত্র রেজাল্ট সব কিছুই করা হচ্ছে, এটা মাতৃভাষা ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন নয়কি?
ছাত্ররা বাংলায় লেখার অভ্যাস না করলে আমাদের দেশের মানুষের জন্য তাদের উর্দু সাহিত্য কোন কাজে আসবে? উর্দু কিতাব লেখার মতো অনেক লোক কওমিতে তৈরী হয়েছে কিন্তু সে মেহনত যদি ওরা মাতৃভাষার জন্য করতো তাহলে কওমিতে লক্ষ লক্ষ বাংলা সাহিত্যক সৃষ্টি হতো, বাংলায় ফেকাহ তাফসীর হাদীস সহ অগনিত দ্বীনী কিতাব রচনা হতো।
কওমি ছাত্র ছাত্রীদের সফলতা ও অবদানের কথা মিডিয়ায় প্রচার করুন!
প্রতি বছর বহির্বিশ্ব হতে দেশের জন্য শত শত গোল্ড মেডল, কোটি কোটি টাকার অর্থ পূরস্কার ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা কওমি ছাত্ররাই আনে, কওমি ছাত্ররা যা করতে সক্ষম তা কোন সরকারী মাদ্রাসার ছাত্ররা করে দেখাতে পারেনি আজো, এসব অবদানের কথা চার দেয়ালের ভিতর গুজিয়ে রাখার সময় আর নেই, মিডিয়ায় প্রচার করে জনগনকে জানাতে হবে, কওমিদের কৃতিত্বের কথা।
শুধু উর্দূ ভাষায় তাদের সাফল্যের রেজাল্ট মাদ্রাসার দেয়ালে টাঙ্গিয়ে দিলে হবেনা,বাংলা ভাষায় পুরা জাতির নিকট পৌঁছাতে হবে আমাদের সন্তানদের সকল কৃতিত্ত্বের খবর মিডিয়ার মাধ্যমে, প্রতিটি মাদ্রাসার নিজস্ব ফেসবুক পেজ ইউটিউব চ্যানাল থাকলে এবং প্রতিটি কওমি বোর্ড আলাদা আলাদা ওয়েভ সাইট চালু করতে পারলে ইনশাআল্লাহ অচিরেই আমাদের সকল কৃতিত্বের খবর বিশ্বের আনাচে কানাচে পৌঁছে যাবে।
প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক ইউটিউবে ইসলামীক মিডিয়া চ্যানাল চালু ও কওমি টিভি প্রতিষ্ঠা করার এখনি সময় এসেছি, নাস্তিক্যবাদী হলুদ মিডিয়া আমাদের সংবাদ প্রচার না করলে ও আমাদের নিজ দায়িত্বে তা প্রচার করতে হবে নিজস্ব মিডিয়ায়, গড়ে তুলতে হবে একঝাঁক তরুন আলেম সাংবাদিক ও সাহসী কওমি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।
দাওরায়ে হাদীসের পর প্রতিটি জামেয়ায় মেধাবী ছাত্রদের জন্য ইফতা, তাফসীর, উলুমে হাদীস ও কেরাত বিভাগের মতো বাংলা সাহিত্য ও জার্নালিজম বিভাগ চালুর মাধ্যমেই সে উদ্দশ্য আমাদের পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে সকল কওমি শিক্ষা বোর্ডের প্রতি দাওরায়ে হাদীস সহ সকল মারকাজী পরীক্ষার ফলাফল মাতৃভাষা বাংলায় প্রকাশ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।
শেয়ার ও আপনার মতামত কমেন্ট করুন।
শিক্ষকগণের রাতদিন মেহনত, প্রতিষ্ঠানের অবদান ও ছাত্রদের কৃতিত্ত্ব চার দেয়ালের ভেতরে সীমাবদ্ধ রাখার সময় আর নেই, কওমি মাদ্রাসার অবদানের কথা আলেম ওলামাদের মাঝে ব্যাপক জানা শুনা থাকলেও দেশের সাধারণ মানুষ অনেকে এ বিষয়ে অজ্ঞ!
সন্তান কোন শ্রেনীতে পড়ে তাও বাবা মা জানেননা, জামাতের নামটা আরবী বা উর্দূ হওয়াটাই তার মূল কারন, পরীক্ষার রেজাল্টতো আরো কঠিন বাংলা শিক্ষিত মা বাবার তা বুঝার কোন উপায় নেই, আরবী উর্দুতে প্রকাশিত কওমি রেজাল্টের তালিকা যেন বিরাট একটা তাবীজের মতো! সন্তানের রেজাল্ট যদি মা বাবা স্বচক্ষে নাদেখে তাহলে ঐ শিক্ষা ব্যবস্হা তাদের জন্য গুরুত্বহীন হওয়াটাই স্বাভাবিক।
তাছাড়া আমরা বাংলাদেশী আমাদের নিজস্ব মাতৃভাষা আছে, যে ভাষার জন্য এদেশের সন্তানেরা রক্ত দিয়েছে, সে ভাষা বাদ দিয়ে পাকিস্তানী ভাষায় পরীক্ষার এডমিট কার্ড, প্রশ্ন পত্র, উত্তর পত্র রেজাল্ট সব কিছুই করা হচ্ছে, এটা মাতৃভাষা ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন নয়কি?
ছাত্ররা বাংলায় লেখার অভ্যাস না করলে আমাদের দেশের মানুষের জন্য তাদের উর্দু সাহিত্য কোন কাজে আসবে? উর্দু কিতাব লেখার মতো অনেক লোক কওমিতে তৈরী হয়েছে কিন্তু সে মেহনত যদি ওরা মাতৃভাষার জন্য করতো তাহলে কওমিতে লক্ষ লক্ষ বাংলা সাহিত্যক সৃষ্টি হতো, বাংলায় ফেকাহ তাফসীর হাদীস সহ অগনিত দ্বীনী কিতাব রচনা হতো।
কওমি ছাত্র ছাত্রীদের সফলতা ও অবদানের কথা মিডিয়ায় প্রচার করুন!
প্রতি বছর বহির্বিশ্ব হতে দেশের জন্য শত শত গোল্ড মেডল, কোটি কোটি টাকার অর্থ পূরস্কার ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা কওমি ছাত্ররাই আনে, কওমি ছাত্ররা যা করতে সক্ষম তা কোন সরকারী মাদ্রাসার ছাত্ররা করে দেখাতে পারেনি আজো, এসব অবদানের কথা চার দেয়ালের ভিতর গুজিয়ে রাখার সময় আর নেই, মিডিয়ায় প্রচার করে জনগনকে জানাতে হবে, কওমিদের কৃতিত্বের কথা।
শুধু উর্দূ ভাষায় তাদের সাফল্যের রেজাল্ট মাদ্রাসার দেয়ালে টাঙ্গিয়ে দিলে হবেনা,বাংলা ভাষায় পুরা জাতির নিকট পৌঁছাতে হবে আমাদের সন্তানদের সকল কৃতিত্ত্বের খবর মিডিয়ার মাধ্যমে, প্রতিটি মাদ্রাসার নিজস্ব ফেসবুক পেজ ইউটিউব চ্যানাল থাকলে এবং প্রতিটি কওমি বোর্ড আলাদা আলাদা ওয়েভ সাইট চালু করতে পারলে ইনশাআল্লাহ অচিরেই আমাদের সকল কৃতিত্বের খবর বিশ্বের আনাচে কানাচে পৌঁছে যাবে।
প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক ইউটিউবে ইসলামীক মিডিয়া চ্যানাল চালু ও কওমি টিভি প্রতিষ্ঠা করার এখনি সময় এসেছি, নাস্তিক্যবাদী হলুদ মিডিয়া আমাদের সংবাদ প্রচার না করলে ও আমাদের নিজ দায়িত্বে তা প্রচার করতে হবে নিজস্ব মিডিয়ায়, গড়ে তুলতে হবে একঝাঁক তরুন আলেম সাংবাদিক ও সাহসী কওমি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।
দাওরায়ে হাদীসের পর প্রতিটি জামেয়ায় মেধাবী ছাত্রদের জন্য ইফতা, তাফসীর, উলুমে হাদীস ও কেরাত বিভাগের মতো বাংলা সাহিত্য ও জার্নালিজম বিভাগ চালুর মাধ্যমেই সে উদ্দশ্য আমাদের পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে সকল কওমি শিক্ষা বোর্ডের প্রতি দাওরায়ে হাদীস সহ সকল মারকাজী পরীক্ষার ফলাফল মাতৃভাষা বাংলায় প্রকাশ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।
শেয়ার ও আপনার মতামত কমেন্ট করুন।
https://www.facebook.com/share/v/7WijMZrtLC9D5vAY/?mibextid=oFDknk
উত্তরমুছুন