আশোরা'র প্রচলিত বিদআত ও কূসংস্কার!
- ছাঈদ কোদালাভী
আশুরা'র রোযার সাথে হোসাইন (রাযিঃ) এর শাহাদাতের কোন সম্পর্ক আছে কি ?
অনেককে এই দিনে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলতে শুনা যায়: এই দিনে হুসাইন (রা:) শহীদ হয়েছিলেন তাই আমরা রোযা আছি। দ্বীনের বিষয়ে এটি একটি বিরাট অজ্ঞতা।
সাধারণ লোকদের এই উত্তরের পিছনে আছে শিয়া সম্প্রদায়ের কৃতিত্ব। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দৌহিত্র হুসাইন (রা:) রাসুলের ইন্তেকালের ৫০ বৎসর পর এই দিনে ইরাকের কারবালা মাঠে মর্মান্তিক ভাবে শহীদ হয়েছিলেন।
তাই শিয়ারা এই দিনটিকে শোক দিবস হিসেবে বিভিন্ন কার্যকলাপের মাধ্যমে উদযাপন করে থাকে। দেশে তাদের প্রোগ্রামগুলি রেডিও ও টেলিভিশনের মাধ্যমে সরকারিভাবে প্রচার করা হয়। এমনকি এই দিনে সরকারি ছুটিও থাকে।
তাই সাধারণ লোকদের নিকট এই দিনটির পরিচয় এবং মর্যাদার কারণ হচ্ছে, হুসাইন (রা:) এর শাহাদত। আর এ কারণেই হয়ত: তারা বলে থাকে যে, হুসাইন (রা:) শহীদ হয়েছিলেন তাই রোযা করছি।
দীনী ভাইয়েরা! এটি একটি বিরাট ভুল ধারণা। কারণ যেই দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল হলেন সেই দিন থেকে সমস্ত অহী (প্রত্যাদেশ) বন্ধ হয়ে গেছে যার মাধ্যমে ইসলামের আদেশ-নিষেধ আসতো।
ইসলাম পূর্ণতা লাভ করার পরেই তাঁর ইন্তেকাল হয়েছে। তাই তার মৃত্যুর পর ইসলামের নামে কোন বিধান আবিষ্কৃত হবে না। কেউ এমন করলে তা বিদআত (দ্বীনের নামে নতুন বিধান) হবে, যা প্রত্যাখ্যাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
مَنْ أَحْدَثَ فِي أمْرِنَا هذا ما ليسَ مِنهُ فَهُوِ ردٌّ ( بخاري و مسلم)
“যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনে নতুন কিছু আবিষ্কার করলো যা, এর অংশ নয় তা প্রত্যাখ্যাত।” [বুখারী, মুসলিম] তাই যারা এই নিয়তে রোযা করে থাকে যে, এই দিনে হুসাইন (রা:) শহীদ হয়েছিলেন, তাহলে তাদের রোযা তো হবেই না বরং তাদের এই আমল বিদআতে পরিণত হবে। আর অনেক ক্ষেত্রে শিরকও হতে পারে যদি কেউ হুসাইন (রা:) এর উদ্দেশ্যে তা পালন করে থাকে। কারণ আল্লাহ ব্যতীত অন্যের উদ্দেশ্যে ইবাদত করা শিরক।
মুহররম ও আশুরাকে কেন্দ্র করে প্রচলিত কিছু বিদআত :
১- ঢোল-বাজনা, লাঠি খেলা এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের মাধ্যমে মুহররম উদযাপন করা।
২- তাজিয়া তৈরি করা এবং তাজিয়াকে সম্মান করা।
৩- মাতম করত: কাল জামা এবং ধারালো অস্ত্র দ্বারা শরীরকে ক্ষত-বিক্ষত করা।
৪- কারবালার ঘটনাকে স্মরণ করে মুরছিয়া গাওয়া ইত্যাদি।
৫- মুরগীর লড়াই।
৬- মুহাররম কে উপলক্ষ করে বিয়াই বাড়ীতে মুরগের জোড়া দুরুস ও পুলাও ভাত প্রেরন করা।
৭- ৭০ দানার পুলাও ভাত তৈরী করা।
৮- মন্জিল বা মুহাররম মেলার আয়োজন করা।
৯- এই দিনে কাটা কাটির দিন মনে করে বিয়ে শাদী না দেয়া ইত্যাদী সব বিদআত যা হারাম।
১০- এই দিনে নিজে তৃষ্নার্থ থাকা এবং শিশুদের কে ও তৃষ্নার্থ রাখা।
মনে রাখতে হবে মুহাররমের রোজার বিধান হযরত হোসাইন রাঃ এর জন্মের হাজার বছর পূর্বের নবী হযরত মুছা আঃ এর যুগ হতে প্রচলিত।
আশুরা'র রোযার সাথে হোসাইন (রাযিঃ) এর শাহাদাতের কোন সম্পর্ক আছে কি ?
অনেককে এই দিনে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলতে শুনা যায়: এই দিনে হুসাইন (রা:) শহীদ হয়েছিলেন তাই আমরা রোযা আছি। দ্বীনের বিষয়ে এটি একটি বিরাট অজ্ঞতা।
সাধারণ লোকদের এই উত্তরের পিছনে আছে শিয়া সম্প্রদায়ের কৃতিত্ব। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দৌহিত্র হুসাইন (রা:) রাসুলের ইন্তেকালের ৫০ বৎসর পর এই দিনে ইরাকের কারবালা মাঠে মর্মান্তিক ভাবে শহীদ হয়েছিলেন।
তাই শিয়ারা এই দিনটিকে শোক দিবস হিসেবে বিভিন্ন কার্যকলাপের মাধ্যমে উদযাপন করে থাকে। দেশে তাদের প্রোগ্রামগুলি রেডিও ও টেলিভিশনের মাধ্যমে সরকারিভাবে প্রচার করা হয়। এমনকি এই দিনে সরকারি ছুটিও থাকে।
তাই সাধারণ লোকদের নিকট এই দিনটির পরিচয় এবং মর্যাদার কারণ হচ্ছে, হুসাইন (রা:) এর শাহাদত। আর এ কারণেই হয়ত: তারা বলে থাকে যে, হুসাইন (রা:) শহীদ হয়েছিলেন তাই রোযা করছি।
দীনী ভাইয়েরা! এটি একটি বিরাট ভুল ধারণা। কারণ যেই দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল হলেন সেই দিন থেকে সমস্ত অহী (প্রত্যাদেশ) বন্ধ হয়ে গেছে যার মাধ্যমে ইসলামের আদেশ-নিষেধ আসতো।
ইসলাম পূর্ণতা লাভ করার পরেই তাঁর ইন্তেকাল হয়েছে। তাই তার মৃত্যুর পর ইসলামের নামে কোন বিধান আবিষ্কৃত হবে না। কেউ এমন করলে তা বিদআত (দ্বীনের নামে নতুন বিধান) হবে, যা প্রত্যাখ্যাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
مَنْ أَحْدَثَ فِي أمْرِنَا هذا ما ليسَ مِنهُ فَهُوِ ردٌّ ( بخاري و مسلم)
“যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনে নতুন কিছু আবিষ্কার করলো যা, এর অংশ নয় তা প্রত্যাখ্যাত।” [বুখারী, মুসলিম] তাই যারা এই নিয়তে রোযা করে থাকে যে, এই দিনে হুসাইন (রা:) শহীদ হয়েছিলেন, তাহলে তাদের রোযা তো হবেই না বরং তাদের এই আমল বিদআতে পরিণত হবে। আর অনেক ক্ষেত্রে শিরকও হতে পারে যদি কেউ হুসাইন (রা:) এর উদ্দেশ্যে তা পালন করে থাকে। কারণ আল্লাহ ব্যতীত অন্যের উদ্দেশ্যে ইবাদত করা শিরক।
মুহররম ও আশুরাকে কেন্দ্র করে প্রচলিত কিছু বিদআত :
১- ঢোল-বাজনা, লাঠি খেলা এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের মাধ্যমে মুহররম উদযাপন করা।
২- তাজিয়া তৈরি করা এবং তাজিয়াকে সম্মান করা।
৩- মাতম করত: কাল জামা এবং ধারালো অস্ত্র দ্বারা শরীরকে ক্ষত-বিক্ষত করা।
৪- কারবালার ঘটনাকে স্মরণ করে মুরছিয়া গাওয়া ইত্যাদি।
৫- মুরগীর লড়াই।
৬- মুহাররম কে উপলক্ষ করে বিয়াই বাড়ীতে মুরগের জোড়া দুরুস ও পুলাও ভাত প্রেরন করা।
৭- ৭০ দানার পুলাও ভাত তৈরী করা।
৮- মন্জিল বা মুহাররম মেলার আয়োজন করা।
৯- এই দিনে কাটা কাটির দিন মনে করে বিয়ে শাদী না দেয়া ইত্যাদী সব বিদআত যা হারাম।
১০- এই দিনে নিজে তৃষ্নার্থ থাকা এবং শিশুদের কে ও তৃষ্নার্থ রাখা।
মনে রাখতে হবে মুহাররমের রোজার বিধান হযরত হোসাইন রাঃ এর জন্মের হাজার বছর পূর্বের নবী হযরত মুছা আঃ এর যুগ হতে প্রচলিত।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন