মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. এর কর্মজীবন ও অবদান
দ্বীন ও কোরআনের সেবায় এক নিবেদিত প্রাণ: মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. এর কর্মজীবন ও অবদান--
#ভূমিকা
ইসলামের চিরন্তন আলো সমাজে ছড়িয়ে দিতে এবং ঘুণে ধরা সমাজ সংস্কারে যাঁরা নিজেদের জীবনকে মোমের মতো গলিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের কর্মময় জীবন উত্তরসূরিদের জন্য পথপ্রদর্শক। তেমনই এক ক্ষণজন্মা, মুখলিস ও পবিত্রমনা আলেম ছিলেন মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ.।
তিনি ছিলেন একাধারে একনিষ্ঠ শিক্ষানুরাগী, সফল পরিচালক, এবং অনন্য এক সংস্কারক।
#জন্ম ও বংশ পরিচয়ঃ
মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. ১৯৫৯ সালের ২ রা মে চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী সরফভাটা গ্রামের এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম নূর হামজা এবং মা সমদা খাতুন ছিলেন একজন পরহেযগার নারী।
পূর্ব সরফভাটার বিখ্যাত আমির হামজা সওদাগর বাড়ীর ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পুণ্যময় আবহে বেড়ে ওঠা এই গুণী মানুষটি শৈশব থেকেই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, ধীরস্থির এবং নিষ্কলুষ চরিত্রের অধিকারী।
#শিক্ষাজীবন:
ইলমের অন্বেষণে মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. এর শিক্ষাজীবনের সূচনা ও সমাপ্তি দুই-ই ঘটেছিল অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক বিদ্যাপীঠের হাত ধরে।
**প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা:**
তিনি তাঁর নিজ গ্রামের প্রাচীন ও সুপরিচিত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরফভাটা মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন। এখানেই মূলত তাঁর পবিত্র চরিত্র গঠন ও ইসলামী শিক্ষার মজবুত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
#উচ্চশিক্ষা (দাওরায়ে হাদীস):
মাধ্যমিক শিক্ষার উচ্চতর সোপান আরোহণের উদ্দেশ্যে তিনি পাড়ি জমান দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও শ্রেষ্ঠ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ আল জামেয়া আল ইসলামিয়া পটিয়াতে। এই বিখ্যাত জামেয়া থেকে তিনি কৃতিত্বের সাথে ‘দাওরায়ে হাদীস’ (ইসলামিক স্টাডিজে মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সমকালীন শীর্ষস্থানীয় আলেম ও মুহাদ্দিসগণের সান্নিধ্যে থেকে হাদীস, তাফসীর ও ফিকাহ শাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্য লাভ করেন।
#প্রবাস জীবন:
কর্ম ও দ্বীনের অপূর্ব সমন্বয়-
উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সালতানাতে ওমানে স্বপরিবারে পাড়ি জমান এবং সেখানে এক সুদীর্ঘ প্রবাস জীবন শুরু করেন। ওমানে থাকাকালীন তিনি একদিকে যেমন সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন, তেমনি অন্যদিকে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে ইমামতির পবিত্র দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে সততা, পরিচ্ছন্ন আখলাক ও দ্বীনের প্রতি অবিচলতার কারণে প্রবাসী ও স্থানীয় ওমানি নাগরিকদের মাঝে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ও সমাদৃত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। সেখানে তিনি দীর্ঘ ২১ বছর অত্যন্ত সফলতার সাথে প্রবাস জীবন অতিবাহিত করেন।
#স্বদেশে প্রত্যাবর্তন ও মাদরে এলমীর হাল ধরা (২০০৭ সাল)
দীর্ঘ ২১ বছরের প্রবাস জীবন শেষ করে ২০০৭ সালে তিনি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। কাকতালীয়ভাবে, ঠিক সে সময়ই তাঁর শৈশবের বিদ্যাপীঠ ও মাদরে এলমী—শত বছরের প্রাচীন প্রতিষ্ঠান সরফভাটা মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসা ও এতিমখানা-এর ‘মোহতামিম’ (অধ্যক্ষ) পদটি শূন্য হয়।
মাদ্রাসাটির সার্বিক জরাজীর্ণ দশা দূরীকরণ, উন্নয়ন ও সংস্কারের লক্ষ্যে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একযোগে মাওঃ আবুল বয়ান সাহেবকে মোহতামিম পদের দায়িত্ব গ্রহণের আকুল প্রস্তাব দেন। প্রথমে তিনি এই বিশাল আমানতের দায়িত্ব নিতে কিছুটা দ্বিধাবোধ করলেও, পরবর্তীতে তাঁর পরম শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি ও উস্তাদদের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ এবং নির্দেশে দ্বীনের স্বার্থে রাজি হন। ফলশ্রুতিতে, ২০০৭ সালেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই শতবর্ষী প্রাচীন মাদরে এলমীর সংস্কার কাজ ও দ্বীনি খিদমতে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে আত্মনিয়োগ করেন।
#একজন সফল সংস্কারক ও তাঁর বৈপ্লবিক অবদান-
২০০৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ১৮ বছর যাবত দ্বীনের এই ত্যাগী খাদেম শত বছরের পুরনো এই এদারার সার্বিক উন্নয়নে নিজের জান-মাল ও মেধা দিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান। দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে তিনি মাদ্রাসা ও এতিমখানাকে নতুন আঙ্গিকে সাজাতে বহুমুখী বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন:
১. দেশ ও প্রবাসে তহবিল সংগ্রহ (ফান্ড কালেকশন)
শত বছরের প্রাচীন এই মাদরাসাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী রূপে সাজাতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন ছিল। এ লক্ষ্যে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর দুবাই, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সফর করে ফান্ড কালেকশন শুরু করেন। তাঁর সততা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে দেশ ও প্রবাসের ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা তাঁর এই মহৎ উদ্যোগে দারুণভাবে সাড়া দেন এবং দান-সদকার মাধ্যমে তাঁকে উৎসাহিত করেন।
২. কোটি টাকার সুবিশাল জামে মসজিদ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন-
মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ উন্নয়নে তাঁর গৃহিত পদক্ষেপগুলো ছিল এককথায় যুগান্তকারী। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তিনি কোটি টাকারও উর্ধে বিপুল অর্থ ব্যয় করে একটি চোখধাঁধানো ও সুবিশাল 'মাদ্রাসা জামে মসজিদ' নির্মাণ করেন। এই মসজিদ নির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি বারবার মধ্যপ্রাচ্য সফর করেছিলেন।
৩. ভূমি উদ্ধার ও পুকুর সংস্কার:
দায়িত্ব নিয়ে সর্বাগ্রে তিনি মাদরাসার বেদখল হয়ে যাওয়া জমিগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মাদরাসার নিজস্ব দখলে ফিরিয়ে আনেন। পাশাপাশি মাদ্রাসার পুকুরটি পুনঃখনন করে এর একপাশে সুন্দর একটি ঘাট নির্মাণ ও সংস্কার করেন।
৪. দক্ষিণ পাশের হিফয ভবন নির্মাণ:
মাদরাসার দক্ষিণ পাশের পুরনো জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলে তিনি নতুন রূপে ৩ তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ‘হিফয বিভাগ’ নির্মাণ করেন।
৫.আল্লামা শাহ মেহেরুজ্জামান রহ. ভবন:
মাদরাসার পূর্ব পাশে ৩ তলা বিশিষ্ট ‘আল্লামা শাহ মেহেরুজ্জামান রহ. ভবন’ নির্মাণের কাজ হাতে নেন তিনি, এবং সফলভাবে ২ তলা পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করেন।
৬.পশ্চিম পাশের ১তলা ভবনকে ২ তলায় উন্নীত করণ:
তিনি পশ্চিম পাশের পূরাতন ১ তলা ভবনটিকে ২ তলায় উন্নীত করেন।
৭. কর্ণফুলীর কূলঘেঁষে ৩ তলা শিক্ষা ভবন নির্মাণ:
মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওঃ শোয়াইবুল ইসলাম সাহেব এর উদ্যোগে মাদরাসার উত্তর পাশে কর্ণফুলী নদীর কূলঘেঁষে ৩ তলা বিশিষ্ট একটি বিশাল শিক্ষা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয় তার আমলে, যা বর্তমানে ২য় তলার ছাদ ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
৮. স্থায়ী আয় ও শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি (মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসা মার্কেট নির্মাণ)
মাদরাসার শিক্ষার সুন্দর ও শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে তিনি এক সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। মাদরাসা সংলগ্ন কোলাহলপূর্ণ 'কানুরহাট বাজার'টি তিনি সেখান থেকে তুলে দেন। পাশাপাশি, মাদরাসা ও এতিমদের স্থায়ী আয়ের সুদূরপ্রসারী চিন্তা করে পার্শ্ববর্তী প্রধান সড়কের পাশে তিনি মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসা মার্কেট’ নির্মাণ করেন, যা আজ মাদরাসার আয়ের অন্যতম একটি উৎস।
৯. সুবিশাল পাকা ঈদগাহ নির্মাণ
তাঁর আমলেই মাদরাসার উন্নয়ন কমিটির সার্বিক সহায়তায় মাদরাসার পূর্বের কাঁচা মাঠটিকে একটি সুবিশাল ও সুসজ্জিত পাকা ঈদগাহে পরিণত করা হয়, যেখানে এলাকার হাজার হাজার মানুষ পবিত্র ঈদের নামাজ ও জানাযার সালাত আদায় করেন।
১০.শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন :
মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. কেবল বাহ্যিক বা অবকাঠামোগত উন্নয়নই করেননি, বরং মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করতে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন:
১.শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বোর্ড পরীক্ষায় সাফল্য:
তিনি মাদ্রাসার পড়াশোনার মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেন। তাঁর কঠোর নজরদারি ও সঠিক নির্দেশনার ফলে বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (ইত্তেহাদ) এর মারকাজী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এই মাদ্রাসার ছাত্ররা প্রায়ই মেধা তালিকায় স্থান করে নেয় এবং কৃতিত্বের সাথে বৃত্তি লাভ করে।
২.শিক্ষক ও কর্মচারীদের বকেয়া নিরসন ও বেতন নিশ্চিতকরণ:
তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারীদের বছরের প্রায় বেশির ভাগ সময় বেতন বকেয়া থাকত, যা তাঁদের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলত।
মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. দায়িত্ব গ্রহণের পর এই বকেয়া প্রথার সম্পূর্ণ নিরসন করেন। তিনি প্রতি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন আদায়ে অত্যন্ত সচেষ্ট ছিলেন। এমনকি মাদ্রাসার ফান্ডে টাকা না থাকলে, তিনি প্রয়োজনে অন্য জায়গা থেকে কর্জ (ঋণ) করে হলেও প্রতি মাসের শিক্ষকদের বেতন সময়মতো পরিশোধ করতেন।
৩.উন্নত খাবার (খানা) ব্যবস্থাপনা:
মাদ্রাসায় অবস্থানরত ছাত্র এবং দ্বীনের আলো ছড়ানো শিক্ষকদের জন্য তিনি সবসময় স্বাস্থ্যকর ও মানসম্মত উন্নত খাবারের (খানার) চমৎকার এন্তেজাম বা ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি বলতেন ছাত্রদের উন্নত খাবার ও মাসে মাসে শিক্ষকদের বেতনের ব্যবস্হা করা না গেলে শিক্ষার মানউন্নয়ন করা সম্ভব নয়।
মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে ও পরিশ্রমী তিনি তাঁর জীবদ্দশায় আমল, আখলাক ও বহুমাত্রিক মাদরাসার সংস্কার কর্মের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে এক স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।
#ইন্তেকাল ও শেষ শয্যা:
দীর্ঘ ১৮ বছর একনিষ্ঠভাবে ইলমে দ্বীনের খিদমত শেষে, মহান আল্লাহর এই অকুতোভয় সৈনিক ও সমাজ সংস্কারক তাঁর পার্থিব জীবনের সফর সাঙ্গ করেন। ২৫ আগস্ট ২০২৪ ইংরেজি মোতাবেক ১৯ সফর ১৪৪৬ হিজরী রোজ রবিবার তিনি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যূকালে এক স্ত্রী এক ছেলে ও ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য ছাত্রও ভক্ত রেখে যান।
তাঁর ইন্তেকালে গোটা রাঙ্গুনিয়াসহ আলেম সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। পরবর্তীতে মানুষের অশ্রুসিক্ত জানাজা শেষে তাঁকে সরফভাটা মাদ্রাসা সংলগ্ন
‘মাক্ববারায়ে মুয়াবিনুল ইসলাম’এ তাঁর পরম শ্রদ্ধেয় উস্তাদ আল্লামা শাহ মনির আহমদ (নায়েব সাহেব হুজুর) রহ. এর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
#উপসংহার
মাওঃ আবুল বয়ান সাহেব রহ. আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ শিক্ষা, কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সুবিশাল জামে মসজিদ, অবকাঠামোগত অনন্য কীর্তি এবং ১৮ বছরের অবিস্মরণীয় খিদমত চিরকাল প্রদীপ্ত নক্ষত্রের মতো আলো ছড়াবে। বিশেষ করে সরফভাটা মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসার ইতিহাসে তাঁর এই সোনালী আমল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সরফভাটাবাসী তাঁর অবদানের কথা আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
আল্লাহ তাআলা দ্বীনের এই মহান খিদমতগারকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর স্বীয় উস্তাদগণের পাশে জান্নাতেও তাঁকে উত্তম স্থান নসিব করুন। আমীন।
লেখক-
মাওঃ ছাঈদ কোদালাভী
শিক্ষক ও হিসাব বিভাগীয় প্রধানঃ
সরফভাটা মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসা রাংগুনিয়া চট্টগ্রাম।
তাং-০৬-০৬-২০২৬
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন